ভারতের এই ৮ টি ভূতুড়ে জায়গা যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ…

0
4796

ভূত নিয়ে আমাদের জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। এই বিষয়টিতে নানা মানুষের নানা রকম মতবাদ রয়েছে। কেউ ভুতে বিশ্বাস করে আবার কেউ ঠাট্টা তামাশা করে। তারই মধ্যে যারা ভগবানে বিশ্বাস করে তারা ভূতকেও বিশ্বাস করে। আবার ভূত নিয়ে অনেকে গবেষণার কাজও করে। অনেকে পড়াশোনাও করে ভূত নিয়ে। তারা এই বিষয়টি নিয়ে চর্চা করতে ভালোবাসে।

প্যারানরমাল অ্যাক্টিভিটিসরা ভূতের অস্তিত্ব স্বীকার করেছেন। তারা ভুতেদের কার্যকলাপ নিয়েও আলোচনা করেছেন। তারা বিভিন্ন স্থানে গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন ভারতের অনেক জায়গায় ভূতের অস্তিত্ব আছে। আজ সেরকমই ৮টি জায়গার ব্যাপারেই আলোচনা করবো।

১। ভানগড় ফোর্ট, রাজস্থান ঃ- রাজস্থানের ভানগড় দূর্গে সূর্যাস্তের পর সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ সেখানে রাতে প্রবেশ করে অনেক মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছে। সেই কারণে জায়গাটি ভূতুরে একটি জায়গায় পরিণত হয়েছে। তাই দিনের বেলা সেখানে অনেকে গেলেও অন্ধকার নামলে কেউ সেখানে যায়না।

২। ডুমাস বীচ, সুরাট ঃ- সুরাটের ডুমাচ নামক এই বীচে রাত্রি বেলা নানারকম শব্দ শোনা যায়, যা রীতিমত ভয়ানক। সেই শব্দ শুনে যেকোন মানুষ ভয় পেতে বাধ্য। আসলে এই বীচ ব্যবহার করা হয় মৃতদেহের ছাই পুঁতে ফেলার কাজে। তাই সেখানে সরকার থেকে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

৩। শনিয়ারওয়র্দা ফোর্ট, পুনে ঃ- লোকমুখে শোনা যায় এই ফোর্টে এক অল্প বয়সী রাজকুমারের আত্মা ঘুরে বেড়ায়। যাকে তার স্ত্রীর খুরতুতো ভাইয়েরা মেরে ফেলেছিল। প্রতি পূর্নিমাতে সেখানে নানারকম ভূতুরে কান্ড ঘটতে দেখা যায়।

৪। সঞ্জয় বন, দিল্লী ঃ- দিল্লীর এই জঙ্গলকে বহুদিন ধরেই ভৌতিক বলা হয়। এখানে আসা অনেক পর্যটক দেখেছেন এক মহিলাকে সাদা শাড়ি পড়ে ঘুরে বেড়াতে।

৫। অগ্রসেন কি বাউলি ঃ- অগ্রসেন কি বাউলি নামক স্মৃতিস্তম্ভটি দিল্লীতে অবস্থিত। সেখানকার বাসিন্দাদের মতে এর ভিতরে থাকা কুয়োতে অনেক মানুষকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, তাদেরই আত্মা সেখানে ঘোরাফেরা করে।

৬। ব্রিরাজ ভবন প্যালেস, কোটা ঃ- রাজস্থানের কোটাতে এই প্যালেসে সাধারণ মানুষের প্রবেশ বহুকাল ধরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বলা হয় সিপাহী বিদ্রোহের সময় মেজর বার্টন ও তার পুত্র মারা গিয়েছিলেন, তাদেরই আত্মা ঘোরাফেরা করে এই প্যালেসে।

৭। ডিসুজা চাল, মুম্বাই ঃ- মুম্বাইয়ের এই চালে কুয়োতে এক মহিলা জল আনতে গিয়ে সেখানে পড়ে মারা গিয়েছিলেন। তারই আত্মা ঘুরে বেড়ায় সেখানে। তাই সেটিকে অভিশপ্ত কুয়ো বলা হয়।

৮। জি পি ব্লক, মিরাট ঃ- এখানকার কিছু বাসিন্দা বলেন এখানে চারটি ছেলেকে দেখতে পাওয়া যায় মদ্যপান করা অবস্থায়, আবার কেউ কেউ বলে সেখানে এক মহিলাকে লাল শাড়ি পড়ে হাটতে দেখা যায়। কিন্তু সঠিক কোনটি তা আজও জানা যায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here