ডিম সিদ্ধ করার কতক্ষণ পর পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে, অবশ্যই জেনে রাখা দরকার…

0
444

ডিম সকলের খুব প্রিয় খাবার। প্রচুর মানুষ আছেন যারা ডিম খেতে ভালোবাসেন। সেদ্ধ বা অমলেট যাইহোক না কেন, ডিমের সবেতেই জুড়ি মেলা ভার। ডিম যে শুধু সুস্বাদু তা কিন্তু নয়, ডিমের অনেক উপকারীতাও রয়েছে। ডিমে রয়েছে ১৪৩ ক্যালোরি এনার্জি, ০.৭২ গ্রাম মত কার্বোহাইট্রেড, প্রোটিন ১২.৫৬ গ্রাম, ফ্যাট ৯.৫১ গ্রাম, এছাড়া ফসফরাস ১৯৮ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম।

এইসব কারনে ডিমের পুষ্টিগুন অনেক বেড়ে গেছে। ডিম খাওয়ার বেশ কিছু উপকারিতা আছে। আমাদের কাজ করতে গেলে এনার্জি দরকার হয়। ভিটামিন B আমাদের খাদ্যকে এনার্জিতে রুপান্তরিত করে, আর ডিমে এই ভিটামিন B থাকাতে ডিম এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে।

ডিমে ভিটামিন A থাকে যা চোখের জন্য খুব ভালো। এটি ছানি পরতে দেয় না। ভিটামিন E থাকায় ডিম ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। পেশীর ব্যাথা কমাতে ডিম অনেকটা সাহায্য করে। ডিমসিদ্ধ খুব সাধারন ও স্বাস্থ্যকর খাওয়ার। ব্রেকফাস্টে অনেকেই ডিমসিদ্ধ অত্যাবশ্যক মনে করে থাকেন।

স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে অফিসের টিফিনে ডিমসিদ্ধ একটা সুস্বাদু টিফিন। কিন্তু ডিমসিদ্ধ হওয়ার কতক্ষন পর তা খাওয়া যেতে পারে তা জানা অত্যন্ত জরুরী। অনেকেই ডিম সিদ্ধ করার অনেক পরে খান। আবার দোকানে সিদ্ধ করার কতক্ষন পরে দেওয়া হয় তাও বোঝা যায় না।

ডিম সিদ্ধ করার পর সংরক্ষন করার সবচেয়ে ভালো উপায় হল ফ্রিজে রাখা। পুষ্টি বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী জানানো হয়েছে সিদ্ধ ডিম ফ্রিজে একসপ্তাহ ঠিক থাকে। এরপর ডিম খারাপ হতে শুরু করে। তবে খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ ডিম হলে সেটা টাটকা খাওয়া উচিত।

সব ধরনের ডিম ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রায় সংরক্ষন করতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে খোসা ছাড়ানো ডিম কোনোভাবেই সংরক্ষন করা যায় না। ফ্রিজে সংরক্ষন ছাড়া সাধারন তাপমাত্রায় ডিম সিদ্ধ করার পর ২ ঘন্টা ঠিক থাকে, অর্থাৎ তার পর না খাওয়াই ভালো।

আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনয়ের তথ্য অনুসারে দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে এরকম খাবারের মধ্যে ডিম সিদ্ধ করার পর দুই ঘন্টার মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত। এরপর ফ্রিজারে সংরক্ষন করতে হবে, তবে খোসা না ছাড়ানো অবস্থায়।