বদহজম, গ্যাস, পেট ফোলা, এসিডিটি হবার প্রধান কারন ও তা থেকে মুক্তি পাবার সহজ উপায়…

0
868

বর্তমান সময়ে আমাদের খাদ্যাভ্যাস খুব খারাপ হয়ে চলেছে। আমরা নিজেরাই নিজেদের কিছু ভুলের জন্য অসুস্থ হয়ে পরছি। যার জন্য আমাদের শরীরে বাসা বাধছে রোগ। প্রাথমিক সমস্যা হল অম্বল ও গ্যাস। আর এটা হচ্ছে বাইরের খাবার ও খবার খাওয়ার অনিয়মের জন্য। আর আপনি যদি নিজেকে সুস্থ রাখতে চান তাহলে আপনাকে নিয়ম অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

এখন আমরা যে সব খাবার খাই তা বেশিরভাগ ভেজালে ভর্তি। স্বাভাবিক ভাবেই সেই সব ভ্যাজাল জিনিস থেকে আমরা অসুস্থ হবই। আর এই সব অসুস্থতার কারনে আমরা আমাদের শরীরে সব কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলছি। আলস্য ঘিরে ধরছে আমাদের। আমাদের তো প্রায় রোজ বদহজম লেগেই আছে। তার জন্য কিছু কিছু প্রতিকার নিয়ে আজ আলচনা করা হল।

১। খবার সময় জল না খাওয়াই উচিত। তবে যদি জল খাওয়া একান্ত দরকার হয় তাহলে আপনি অল্প জল পান করুন। খাবার সময় বেশি জল পান করলে তা অ্যাসিডিটির কারন হতে পারে। হজম করানোর জন্য পেটে নিঃসৃত হয় হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড। আর জল বেশি খেলে এই অ্যাসিড নিঃসৃত হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

এই অ্যাসিডের কাজ হল খাদ্যকে অতি ক্ষুদ্র ও শোষনযোগ্য পুষ্টিতে পরিনত করা। আর খবার সময় জল খেলে এই কাজ আর হয়না। তাই বদহজমের মত সমস্যা দেখা দেয়। তাই খবার খাওয়ার ১ঘন্টা আগে বা পড়ে জল খাওয়া উচিত।

জাঙ্ক ফুড আমাদের অসুস্থতার অন্যতম কারন। পিজ্জা, বার্গার, পাস্তা ইত্যাদি খাবার অ্যাসিডিটির কারন। এই সব খাবারে থাকে অতিরিক্ত পরিমানে শ্বেতসার। এই খাবার আমাদের অলস হয়ে যাওয়ার কারন।

আবার অতিরিক্ত প্রোটীন জাতিয় খাবারও  বদহজমের কারন। এখন শাকসবজি খাওয়া আমরা প্রায় ভুলেই গেছি। আমরা এখন অতিরিক্ত পরিমানে মাছ, ডিম, মাংস এসবই খাই। এই খাবার খাওয়াও বদহজমের কারন।

এর কারন হল আমরা শ্বেতসার জাতিয় কিছু খাবার খাই এবং তার সঙ্গে প্রোটিন জাতিয় খাবার খাই। আর শ্বেত সার ভেঙ্গে তা পরিনত হয় শর্করাতে। আর শর্করা ও প্রোটিন জাতিয় খবার এক সঙ্গে খেলে হজম প্রক্রিয়া ঠিক ঠাক ভাবে হয়না।

আর হজম না হলে শরীরে নানা রকম সমস্যা হয়। তার জন্য দরকার আমাদের বেশি সবজি খাওয়া। আর সব একসাথে না খেয়ে শ্বেত সারের পর প্রোটিন খাওয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here