হার্ট ভাল রাখতে এই খাবারটি ভুলেও ছোঁবেন না…

0
618

দৈনন্দিন কাজের চাপে নিজেদের শরীরের খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না। যাওবা বাইরের অঙ্গগুলোর খোজ রাখি, অর্থাৎ হাত পা মুখের যত্ন নি, কিন্তু ভেতরের অঙ্গগুলোর খোজ রাখা সম্ভব হয় না। কিডনি, লিভার, হৃৎপিণ্ড এসবের খোজ রাখা কারুরই হয়ে ওঠে না। কি করলে এগুলো ভালো থাকবে তার গুরুত্ব আমরা একেবারেই দিই না।

এমন কি কাজের চাপে ঠিক ভাবে খেতে পারি না বা বাইরের অপুষ্টিকর খাবার খাই, যার জন্য শরীরের ভিতরের অঙ্গে সমস্যা তৈরি হয়। বর্তমানে মানুষের সব থেকে বেশি সমস্যা হল হার্টের। অধিকাংশ মানুষেরই হার্ট দুর্বল। আর এখন হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা প্রচুর।

কিন্ত আমরাই পারি এর প্রতিকার করতে। একটু সতর্ক হলেই এরকম ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় না। আর হৃৎপিণ্ড আমাদের শরীরের একটা বিশেষ গুরত্বপূর্ণ অঙ্গ, যার সাথে আমাদের জীবনমরন সমস্যা জড়িয়ে আছে। তাই এর খেয়াল রাখাটা অত্যন্ত জরুরী।

কি করে হার্টের যত্ন নেবেন, কি করে হার্টকে শক্তিশালী করবেন, আসুন জেনে নেওয়া যাক। সূর্যমুখী তেল ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ, যা শরীরের এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে এবং সরাসরি হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে ও ইমিউন সিস্টেম বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

গবেষকরা মনে করেন সামুদ্রিক মাছ হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য সহায়ক। কিছু মাছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা-৩ থাকে যা হৃৎপিণ্ডের জন্য স্বাস্থ্যকর। কিন্তু কিছু কিছু হাইব্রিড মাছ আছে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সয়া ফুড কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রনে রাখে, তাই এই খাবার গুলো খেলে শরীর থেকে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট দূর হয়।

কাটবাদামের মধ্যে থাকে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, প্রোটিন, পটাসিয়াম, যা হার্ট ভালো রাখতে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কাটবাদামে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম হার্ট অ্যাটাক আটকাতে সাহায্য করে আর পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।

গবেষণা বলছে দুর্বল হার্টের জন্য অলিভ অয়েল খুব উপকারী। শিমে ম্যাগনেসিয়াম থাকায় করোনারি হার্ট ডিসিসে সহায়ক হয়ে ওঠে। এছাড়া হলুদ, আমলকী হার্টের জন্য খুবই উপকারী। রসুন কার্ডিওভাসকুলার রোগ হওয়ার ঝুকি কমায়।

আদা রক্ত প্রবাহকে চালু রাখে আর হার্টের অসুখের বিরুদ্ধে এন্টি ফ্ল্যামেটরি হিসাবে যুদ্ধ করে। গবেষণা বলছে হার্ট ভালো রাখার জন্য এমন কিছু খাবার আছে যা খাওয়া উচিত না, অথচ সেই খাবার অনেকেরই প্রিয়। যেমন ডিমের কুসুম।

গবেষকরা জানিয়েছে ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টরল থাকে যা হৃদরোগের কারন হতে পারে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে, তাই হার্টের সমস্যা কমাতে এই কোলেস্টরল যুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকাই ভালো।