“মুখে এত ময়দা মাখিস কেন ?” দিনরাত একই প্রশ্নে বিরক্ত হয়ে বয়ফ্রেন্ডের মাথা ফাটিয়ে দিলো তরুণী…

0
1911

নারী চরিত্র বেজায় জটিল এবং এ যে কত বড় সত্য তা প্রতি পদক্ষেপেই পুরুষ জাতি জানতে ও বুঝতে পারে। নারীদের এই হঠকারিতা কি কেন কি জন্যে, তার গোপন রহস্য কেও কোনদিনও ভেদ করতে পারেনি। এই রহস্য মনের কোন গহিনে তারা লুকিয়ে রাখে, সে সম্পর্কে কোন তথ্য আজ পর্যন্ত নারীরাও দিতে পারেনি।

কিন্তু এতো সমস্যা এতো কিছু সত্বেও কোন মায়া জালে যে পুরুষ জাতি তাদের প্রেমে পড়ে তা ভাবার বিষয়। মেয়েদের কিছু বিশেষ গুন দেখেই প্রেমে পরে ছেলেরা। যেমন পরিপাটি মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হয় অনেক পুরুষ, তারা চায় বিয়ের পর তাদের সংসার যাতে পরিপাটি করেই সাজানো থাকে।

হাসি খুশি থাকা একটা দারুন গুন, যা মেয়েরা খুব দক্ষ্যতার সাথে পালন করে। তাই অনেকে মনে করেন যে হাসিখসি মেয়েদের জীবন সঙ্গিনী করবার কথা। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় সবসময় প্রেমিকের কথা শোনে অন্ত প্রান দিয়ে, এরম মেয়েদেরকেও ভালোবেসে ফেলে কিছু কিছু ছেলে।

আবার যে সমস্ত মেয়েরা সাজুগুজু করতে ভালোবাসে তাদেরকেও নিজেদের মন দিয়ে ফেলে অনেক ছেলে। তেমনই সাজুগুজু করতে বেশ ভালোই বাসত অরুনিমা। কখনও মুখে মেকাপ করে আবার কখনও অসাধারন কিছুকিছু জামাকাপর পড়ে দেখা করতে যেত প্রেমিক অরুনের সাথে।

কিন্তু অন্যদিকে আরামবাগের অরুণের আবার গার্লফ্রেন্ডের অতিরিক্ত সাজগোজে বড্ড অরুচি। সাজগোজ একদমই পছন্দ করে না সে। যখনই প্রেমিকা কোথাও যাবার জন্যে সেজে গুজে আসত ওমনি ক্ষেপে যেত অরুন।

রাগ অভিমান সব কিছুই একসাথে ভির করে আসত অরুনিমার মাথায়, তবুও নিজের পছন্দের কাজকে ফেলে রাখতে পারেনি অরুনিমা। খারাপ লাগলেও এই সব কথা মাথা নত করে শুনত অরুনিমা। কারন আরুনের কথার জবাবে তার কিছু বলার থাকত না।

কিন্তু এক দুর্ঘটনা ঘটে গেলো গত-শনিবার। যা ঘটলো তা সত্যি ভাবা যায়নি। অরুন বলে, “এত ময়দা মাখিস কেন”, তখনই রন মূর্তি ধারন করে অরুনিমা। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয় অরুনের সে। লোকজন জড় হয়ে যায় ঘটনাস্থলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here