মহিলাকে ধর্ষ’কের হাত থেকে বাঁচিয়ে ধর্ষ’ককেই ধর্ষ’ণ সমকামী যুবকের…

0
10412

ধর্ষ-ণ এক নৃশংস অপরাধ এবং এই নৃশংস অপরাধের কোন ক্ষমা হইয়া উচিত কি উচিত না সেটা একটা যুক্তিতর্কের বিষয়। বুদ্ধিজিবীরা এই নিয়ে মন্তব্য করেও কোন ঠাই পাবেন কিনা জানিনা। কিন্তু অপরাধের কোন মাপ কাঠি হওয়া ঠিক নয়, কোন অপরাধকেই ছোট বা বড় বলা চলেনা। সব অপরাধই সমান। কিন্তু বর্তমান সময়ে এক অরাজকতার ঢেউ বয়ে বেড়াচ্ছে।

সমস্ত দেশেই একটা সাধারন, ইংরেজিতে যাকে বলে কমন ক্রাইম, মানে দৈনন্দিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে ধর্ষ-ণ। শুধু দেশ বললে ভুল হবে, এই নোংরা মানশিকতা প্রায় সমস্ত বিশ্বেই তার থাবা বসিয়েছে, প্রতিটা দেশে এরম ঘটনা ঘটেছেই যেখানে একজন না একজন ধর্ষি-ত।

এর প্রতিবাদে অনেক রাষ্ট্র সরব হয়েছেন, তৈরি করেছেন আইন। কিন্তু সেই আইনও কিন্তু এই অপরাধকে কমাতে পারেনি, কমিয়ে আনতে পারেননি অপরাধ প্রবণতাও। ২০১৩ সালের আমেরিকার ক্যাপিটাল হমিসাইডের তথ্য থেকে এটুকু ধারনা করা যায় যে, কোন ক্ষেত্রেই এই অপরাধবোধ ও অপরাধ প্রবনতার মধ্যে সম্পর্ক নেই।

আমদের ভারতীয় সংবিধানে এক্ষেত্রে ২০১৮ সালে একটি আইন যোগ হয়। তাতে বলা বলা হয় যে, ১২ বছরের কম কোন মেয়েকে ধর্ষ-ণ করা হলে আভিযুক্তকে ফাঁসি বা দেথ পেনাল্টি হবে। কিন্ত পরন্তু বন্ধু আজ যে ঘটনার কথা বলবো সেটা শুলে আপনি অবাক হবেনই হবেন।

ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার আলাস্কায়, অসহায় এক মহিলাকে ধর্ষ-ণ করতে গিয়েছিল এক ব্যাক্তি। তখনই ফরিস্তার মত আসে সেই ব্যাক্তি। মহিলাটিকে ওই ব্যাক্তির হাত থেকে বাঁচান ফরিস্তার মত আসা দ্বিতীয় ব্যাক্তি। তারপর ওই ব্যাক্তিকে জাপটে ধরে মাটিতে ফেলে তার হাত পা বেঁধে তাকে ধর্ষ-ণ করেন এই ব্যাক্তি।

৫১ বছরের জেমস প্রেস্টন রাত একটা নাগাদ এক মহিলাকে জোড় করে এক নির্জন জায়গায় নিয়ে যান এবং সেখানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষ-ণের চেষ্টা করেন। কিন্তু ওই মহিলার চিৎকার শুনে ছুটে আসে নারদ জন্স নামে এক ব্যাক্তি।

প্রেস্টনকে আটকে রেখে সে ওই মহিলাকে পরিত্রান দেন এবং প্রেস্টনের জামা প্যান্ট খুলে তাকে  ধর্ষ-ণ করেন। সুত্র থেকে জানা গেছে নারদ জন্স একজন সমকামী। তার পুরুষদের প্রতি প্রবল দুর্বলতা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here