নতুন বছরে সম্পত্তি প্রাপ্তি ও সম্পদ বৃদ্ধির যোগ রয়েছে এই রাশিগুলির…

0
5138

আমরা সবাই চাই যাতে আমরা অর্থনৈতিক দিক থেকে উন্নতি করতে পারি। যাতে আমাদের সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। আমরা সকলেই চাই আমাদের সম্পত্তির বৃদ্ধি হোক। আর এই সম্পত্তি বৃদ্ধির জন্য আমরা অনেক কিছু করে থাকি। বাস্তু মেনে আমরা দেবগুরু বৃহস্পতিকে সন্তুস্ট করে থাকি, যাতে আমাদের কোনো রকম বাধা বিঘ্ন না ঘটে।

অনেকে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করেন। জ্যোতিষ মতে বৃহস্পতিবার অনেক কিছু করতে বারন করা হয়, যেমন বৃহস্পতিবার বাড়ির পূর্ব কোনে ময়লা ফেলা উচিত না, তাহলে বাড়িতে নেগেটিভ শক্তি বিরাজ করে। বৃহস্পতিবার মহিলা বা পুরুষ কারুর চুল কাটা উচিত না, এতে বিবাহিত জীবনে প্রভাব পরে ও জীবনে দুর্দশা নেমে আসে।

বৃহস্পতিবারে নিরামিষ খেলে দেবগুরু বৃহস্পতি সন্তুষ্ট হন, এতে আর্থিক উন্নতি হয়। অনেকে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করেন আর সাথে রাশিফলেও বিশ্বাস করেন। অনেকে নিয়ম করে রাশিফল মেলান, তার রাশি অনুযায়ী তার ভাগ্যে কি লেখা আছে। আবার অনেকে রাশিফলে বিশ্বাস করেন না।

তবে বিশ্বাস অবিশ্বাসের মাঝে জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে কয়েকটা রাশি আছে যাদের আগামী বছর সম্পত্তি প্রাপ্তি ও সম্পদ বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক এই তালিকায় কোন কোন রাশি গুলি রয়েছে।

মেষ রাশি ঃ- আসন্ন বছরটি এই রাশির জন্য খুব শুভ। যারা ঋণ শোধ করতে চান তাদের প্রচেষ্টা সফল হবে। তবে সম্পদ বৃদ্ধি ও সম্পত্তি বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। বছরের মাঝামাঝি সময়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। ব্যবসার সাথে যুক্ত যারা তাদের অর্থ সম্পর্কিত লেনদেনে যাওয়ার আগে চিন্তা করে যাওয়া উচিত। যদিও খুব একটা ক্ষতির সম্ভবনা নেই, তবুও অতিরিক্ত ব্যয় স্ট্রেসের কারন হতে পারে। মেষ রাশির জাতক জাতিকারা চাকরি পরিবর্তন করলে আর্থিক প্রতিপত্তি বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন।

ককর্ট রাশি ঃ- আগামী বছর সামনের দিকে অতিরিক্ত চাপ থাকবে এই রাশির জাতক জাতিকাদের। কাজের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করার প্রয়োজন বোধ করবেন। তবে বছর শুরু হওয়ার সময় অর্থ সঙ্কটের মুখোমুখি হতে পারেন। এই সময় আপনার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে ও আপনার চাপও বাড়বে। তবে জুলাই থেকে নভেম্বর আপনার আর্থিক অবস্থা শক্তিশালী হবে।

সিংহ রাশি ঃ- বছরের শুরু থেকে ভাগ্য থাকবে জাতক বা জাতিকার অনুকুলে। বছরের শুরু থেকে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবেন। কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহনের আগে চিন্তা ভাবনা করে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হবে। আগামী বছর আপনি অর্থ উপার্জনের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে। এমনকি এই চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ নেবেন।