হৃদরোগের অসুখ বিসুখের হাত থেকে বাঁচতে চাইলে বর্জন করুন এইসব খাবার…

0
816

হৃদরোগ মানে হার্টের অসুখ। এই হার্টের অসুখ বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে। যেমন অতরিক্ত হাইপারটেনশন বা হাই ব্লাড প্রেসার থেকে। শরীরে রক্ত স্বঞ্চালন করতে হলে হার্টের নিজস্ব রক্তের প্রয়োজন। এই নিজস্ব রক্ত বহনের জন্য যে রক্তনালীগুলো আছে, সেখানে যদি কোনো রোগ হয়, তাহলে ক্রমাগতভাবে রক্ত কমতে কমতে হার্টের রোগ হতে পারে।

ক্রমাগতভাবে রক্ত কমতে কমতে হার্ট অ্যাটাক হয়, আস্তে আস্তে এর বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা দেয়, হার্টের কার্যক্রম কমে যায়, মানুষ দুর্বল হয়ে যায়। হার্ট অ্যাটাক হলে অনেক ক্ষেত্রে মানুষ মারা যায়। যারা বেঁচে যায়, তাদেরও কার্যক্ষমতা কমে যায়। এই সব কারণে আমরা এই রোগটি প্রতিরোধ করার চেষ্টা করি। এর জন্য কিছু কিছু খাবার আজই বর্জন করা দরকার। সেগুলি হল –

১. কলিজা, মগজ, হাড়ের মজ্জা ঃ- এই ধরনের খাবারে কোলেস্টেরল বেশী থাকে। সেটা হৃদরোগের জন্য খুবি ক্ষতিকর। ২. চিংড়ি ঃ- চিংড়ি মাছেও অনেক পরিমানে কোলেস্টেরল থাকে যা খেলে হার্টের ক্ষতি হয়। তাই হৃদরোগের ক্ষেত্রে চিংড়ি খাওয়া যাবে না।

৩. মাছের মাথা ও ডিম ঃ- একই ভাবে মাছের মাথা আর মাছের ডিম ক্ষতি করে হার্টের অসুখের ক্ষেত্রে। তাই এই গুলি খাওয়া যাবে না। ৪. ডিমের কুসুম ঃ- যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের ডিমের কুসুম খাওয়া যাবে না। কারন ডিমের কুসুমে আছে উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল।

৫. ঘি-মাখন ঃ- যাদের হার্টের সমস্যা আছে তারা কখনই ঘি, মাখন যুক্ত খাবার খাবেন না। কারন এর ফলে হার্ট ব্লক হয়ে যেতে পারে। ৬. নারকেল ঃ- নারকেলের তেল যুক্ত খাবার খাওয়া খুবই ক্ষতিকর হার্টের ক্ষেত্রে। যারা নারকেলের তেল যুক্ত খাবার খান তাদের হার্টের সমস্যা বেশী হয় এবং মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

৭. অতিরিক্ত ভাজা ও তৈলাক্ত খাবার ঃ- অতিরিক্ত ভাজা, তেল জাতীয় খাবার খুবই ক্ষতিকর। যত ভাজা খাবার হয় তাতে খাদ্যমান কম থাকে, যার ফলে সেই খাবারের মধ্যে কোনো গুনাগুন থাকে না। তেল জাতীয় খাবারে ফ্যাটের পরিমান অনেক বেশী থাকে।

৮. রেড মিট ঃ- রেড মিট হৃদরোগের জন্য খুবই ক্ষতিকর একটি খাবার। এই খাবারেও প্রচুর পরিমানে কোলেস্টেরল থাকে। ৯. কেক, পেস্ট্রি, পুডিং, আইসক্রিম ঃ- এই সব খাবার খেলেও হার্টের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। তাই এই সব খাবার না খাওয়ায় ভালো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here