শ্বশুরবাড়িতে জিন্স প্যান্ট পরায় আপত্তি, তারপর যে পথ বেছে নিল গৃহবধূ…

0
5385

বর্তমানে কোন বাড়িতেই আর এই ধরনের নিয়ম নেই, কারন সবাই এখন অনেক মডার্ন হয়ে গেছে। এখন শাশুড়িরাই জিন্স পরছে আর ছেলের বউকে কি বারন করবে। তবুও এখনও কিছু বাড়িতে আগেকার দিনের মতন কিছু শাশুড়ি আছে। তবে বেশীরভাগ বর্তমান যুগের মানুষ, তাদের ছেলের বউ কি পড়লো তা নিয়ে কোন আপত্তি থাকে না তাদের। তারা তাদের ছেলের বউকে নিজের মেয়ের মত দেখে।

কিন্তু এখন যে ঘটনাটির কথা বলবো সেটা সম্পূর্ণ আলাদা। এলাকাটি হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটি থানার অন্তর্গত মালঞ্চ। কেয়া দাস নামে ২২ বছরের একটি গৃহবধূ শ্বশুর বাড়ির লোকের সাথে ঝগড়া করে আত্ম হ ত্যা করেন।

জানা যায়, মাত্র ১১ মাস আগে তার বিয়ে হয়েছিল। বেসরকারি কর্মী বান্টি দাসের সাথে বিয়ে হয় তার। কয়েকদিন আগে রাতে কেয়া জিন্টের প্যান্ট পড়ে এক আত্মীয়ের সাথে শ্বশুর বাড়িতে আসে। তাতেই তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার ওপর অভিযোগ করে।

শুধু অভিযোগেই ব্যাপারটা থেমে থাকেনি, তার বাপের বাড়ির সবাইকে অপমান করে কেয়ার বড় জা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেয়ার সাথে তার শ্বশুর বাড়ির লোকের খুব অশান্তি হয়। তারপর তার শ্বশুর বাড়ি থেকে কেয়ার ঝুলন্ত দে হ উদ্ধার হয়।

কেয়ার ওই মৃ তদে হ নিয়ে ময়না তদন্ত শুরু হয়। তারপর পুলিশ সুত্রে জানা যায় কেয়ার শ্বশুর বাড়ির লোকজোন তাকে মেরেছে। তাকে শ্বাস বন্ধ করে মা রা হয়েছিল। তার বাপের বাড়ির লোক জানিয়েছেন যে তার শ্বশুর বাড়ির লোকের বিরুদ্ধে শাস্তি চায়। ওদের জন্যই কেয়া মা রা গেছে এই অভিযোগ করেছেন।

কেয়ার শ্বশুর বাড়ির দিক থেকে ওর কাকা-শ্বশুর জানিয়েছেন, ওর অনেক দাবি আবদার আমরা মেনে নিতাম। সেদিন ওকে অনেক নরমভাবে বোঝানো হয়েছিল যে এই সব আধুনিক পোশাক না পরাই ভালো। কিন্তু সে নিজেকে শেষ করে দেবে সেটা তারা বুঝতে পারেনি। আমাদের ছেলেকে আমরা সামলাতে পারছি না। আমাদেরও অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেলো।

নৈহাটি থানার পুলিশ কেয়ার শ্বশুর বাড়ির দুজন লোককে আটকে রাখেন এবং সব কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেন। নৈহাটি মালঞ্চ এলাকার বাসিন্দারা পুলিশের কাছে কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন তার শ্বশুর বাড়ির লোকের বিরুদ্ধে।