চিরঘুমে কুন্তল-বিপ্লব, কাঠমান্ডু উড়িয়ে আনা হল রমেশ-রুদ্রকে…

0
1624

বুধবার সকালেই খবর এসেছিল চার বাঙ্গালী পর্বতারোহীর কাঞ্চনজঙ্ঘা জয়ের। কিন্তু তারপর থেকেই একের পর এক দুঃসংবাদ আশা শুরু করে। খবর আসে যে কুন্তল কাঁড়ার ও বিপ্লব বৈদ্য, এই দুজনের মৃত্যু হয়েছে পাহাড়েই। যদিও খবর পাওয়া গেছে যে বৃহস্পতিবার রমেশ রায় ও রুদ্রপ্রসাদ হালদারকে ক্যাম্প ২ থেকে হেলিকপ্টারে কাঠমান্ডুতে নামিয়ে আনা হয়েছে।

রুদ্রপ্রসাদ বাড়িতে মেসেজ লিখে পাঠিয়েছেন ‘আমি ঠিক আছি, রমেশ দাকে কাঠমান্ডু হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে’। দুর্ঘটনার দিন বার বার হেলিকপ্টার এসে ফিরে গেছে আবহাওয়া খারাপ থাকায়, আজ শুক্রবার আবহাওয়া ভালো থাকলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে দুজনকেই।

কাঞ্চনজঙ্ঘা জয়ের পর ইয়ালুংখাঙ্গের পথে এগিয়ে ছিলেন আমাদের ছন্দা গায়েন। সেখানেই দুই সেরপাকে নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। এক্ষেত্রেও উচ্চতা জনিত কারনে মৃত্যু হয় হাওড়ার কুন্তল এবং মাদুরদহের বিপ্লবের।

কুন্তলের বয়স ছিলো ৪৬ এবং বিপ্লবের বয়স ৪৮, নেপাল সরকারের এক অফিসার জানান যে প্রায় ৮০০০ মিটার উঁচুতে মৃত্যু হয় এই দুই জন পর্বতারোহীর। এদিকে ফ্রস্ট বাইটে আহত হন রমেশ ও রুদ্রপ্রসাদ। আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় তাদের দুজনের দেহ উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

উদ্ধার কাজে রপ্ত সংস্থা জানান, এই ওয়েদার উইন্ডোর মধ্যে বডি নামিয়ে না আনলে এই কাজ এক বছর পিছিয়ে যাবে। দুইটি বডি নামতে প্রায় ৮-৯ জন শেরপার দরকার এবং এও জানানো হয় যে যা সেটআপ রয়েছে তাতে সব থেকে কম খরচে প্রায় প্রায় ২০ লক্ষ্য নেপালি মুদ্রায় এই কাজটি করা সম্ভব হবে।

প্রথমে দেহ আনা হবে তিন নম্বর ক্যাম্প পর্যন্ত তারপর সেই ক্যাম্পে হেলিকপ্টার এসে সেটি নিয়ে যাবে  কাঠমান্ডু। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে সমস্ত রকম সাহাজ্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ক্রিরা মন্ত্রি অরুপ বিশ্বাস জানিয়েছেন যে ‘আমরা লোক পাঠাচ্ছি’। ইতি মধ্যেই দুই জন সরকারি আধিকারিককে পাঠানো হয়েছে কাঠমান্ডু।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here