জীবনের এই পাঁচটি ক্ষেত্রে মুখ না খোলাই ভালো, একথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা…

0
843

কিছু কিছু ক্ষেত্রে কথা বলে সমস্যার সমাধান করা যায়। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয় তার উল্টোটা। আমরা অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বুঝে চুপ করে যাওয়াটাই ভালো বলে মনে করি। অন্তত বুদ্ধিমান ব্যাক্তিরা তাই করে থাকেন। কখনও স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া অথবা কর্মক্ষেত্রে কোন বচসা বাধতেই পারে। এরকমই কিছু কিছু ক্ষেত্র আছে যখন চুপ থাকাই সর্বশ্রেষ্ঠ উপায় ঝগড়া বন্ধ হওয়ার।

অনেক ক্ষেত্রে এমন হয় যে আপনার উপর কেউ মিথ্যে দোষ চাপাচ্ছে। আপনি সেই দোষ করেননি তাও আপনাকে দোষী প্রমানিত করা হচ্ছে। এরকম সময় কিন্তু চুপ করে থাকা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। যোগী সিদ্ধ পুরুষেরা সব সময় বলে গেছেন কথা কম বলার কথা। তারা কথা বলতেন না। তাদের পক্ষে সেটা সম্ভব হয়েছে কারন তারা সত্যিই সিদ্ধ ছিলেন।

আমাদের সাধারণ মানুষের পক্ষে তা করা কখনই সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা একদম কথা বন্ধ না করে কম কথা বলার চেষ্টা অবশ্যই করতে পারি। যারা কমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞ আছেন তারা বলেন কমিউনিকেশন শুধু কথা বলে হয় না, চুপ থাকাটাও এক ধরনের কমিউনিকেশন। কারন একথা সত্যি যে চুপ থেকেও অনেক কথা বোঝানো যায় বিপরীত দিকের মানুষটিকে।

তাই কিছু বিশেষ বিশেষ সময়ে চুপ থাকাই ভালো বলেছেন কমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞরা। এবার আমরা সেই পাঁচটি সময় নিয়ে আলোচনা করবো যখন চুপ করে থাকা ভালো।

১। কোন ব্যাক্তির মৃত্যুর পর তার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে অকারণে শান্তনা দেওয়ার থেকে ভালো সেই পরিস্থিতিরে চুপ করে থাকা। কারন স্বজন বিয়োগের যন্ত্রনা আপনি শান্তনা দিয়ে কমাতে পারবেন না।

২। যখন মনে হবে আপনি আপনার ব্যাস্ত জিবনে খুব ক্লান্ত, নিজেকে বিভ্রান্ত বলে মনে হবে, তখন কারোর সাথে কোনো কথা না বলে একদম চুপ করে থাকুন। সম্ভব হলে কিছুটা সময় একা কাটান। সেই সময় যদি আপনি কাউকে কিছু বলতে যান তাহলে দুটি কাণ্ড ঘটতে পারে। আপনি তাকে মাথা গরমে কিছু ভুল কথা বলে দিতে পারেন, অথবা আপনি তার উপদেশ শুনে ভুল পথে যাবেন।

৩। আড্ডার মাঝে যদি আপনার কোনো আলোচনা ভালো না লাগে তাহলে সেখানে চুপ থেকে শোনাই ভালো। উঠে চলে যাবেন না। এতে আপনার কাছের মানুষেরা ভুল বুঝতে পারে।

৪। কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় চেষ্টা করুন কম কথা বলার। কারন কথা বললে আপনি কাজে মন দিতে পারবেন না। সেই কাজে আপনার ভুল হয়ে যেতে পারে যা আপনি কোনদিনও চাইবেন না।

৫। যারা অশিক্ষিত, তারা যে বিষয়ে তর্ক করছে সেই সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই, তারাই আপনার সঙ্গে অকারণে তর্ক করতে আসবে। তাই সেই সময় চুপ থাকুন। তাকে যা বলার বলে যেতে দিন।