মাঝরাতে ঘুম ভাঙলে আবার ঘুমানোর টিপস…

0
2722

রাতে ঘুমোচ্ছিলেন শান্তিতে। দুম করে অকারণে হঠাত ঘুম ভেঙ্গে গেল। উঠে বসলেন বিছানায় লাল চোখ নিয়ে। সারা রাত কেটে যাচ্ছে অথচ আর আসছে না ঘুম। কারণ খুঁজছেন রাতের বিছানায় একা বসে বসে। পাচ্ছেন না কিছুতেই। লাল চোখ নিয়ে আর খুঁজতে হবে না এবার কারণ। আমরা নিয়ে এসেছি সব কারণের উত্তর।

বিছানা শক্ত হলে অথবা কড়া কফি দিনের মধ্যে কোনো না কোনো সময় খেলে অনেক সময়ই আপনার ঘুমের ব্যঘাত ঘটতে পারে। এছাড়াও আপনার শারীরিক ও মানসিক অনুভূতিও ঘুম আসা ও না আসার ব্যাপারে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরপর বহুদিন এরকম হলে মানুষেরা অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এতে নিজেদের ব্যাপারে ভাবনাও বেড়ে যায়। সেই কারনেও এক মানসিক অশান্তি তৈরী হয় মানুষের মনে। এই সব জিনিস থেকে বাঁচবার জন্য যে সব ব্যাপার সম্পর্কে মানুষের সচেতন হওয়া জরুরী সেরকম কিছু কিছু ব্যাপার নিয়েই আজকে আমাদের এই আলোচনা।

এই আলোচনা যদি একজন মানুষের মানসিক ও শারিরীক উদ্বেগ কমিয়ে তাকে ঘুমের দেশে নিয়ে যেতে পারে তাহলে এই আলোচনা অনেকটাই সার্থক হবে। আসুন তবে এবার আমরা আপনাদের জানাই কিভাবে নিজেদের এই অভ্যাসকে আপনারা পালটাতে পারবেন।

১) দেখবেন ঘুমোনোর আগে যেন বিছানা শক্ত না হয়। সেই জন্য অবশ্যই দেখতে হবে বিছানা নরম কিভাবে করা যায়। বালিশও যেন খুব নরম ও ভারসাম্য অনুযায়ী থাকে। ঘর যদি শান্ত ও অন্ধকার থাকে তাহলে সেই পরিবেশ বেশি অবশ্যই আমাদের ঘুমোতে সাহায্য করে। তেমন যদি না হয় তাহলে সেই পরিবেশ তৈরী করে নিতে হবে অবশ্যই।

২) দুপুরের পর থেকে চা বা কফি খাওয়া একদম বন্ধ করে দিন। এতে যে পরিমান ক্যাফেইন থাকে তা মস্তিস্ককে দীর্ঘক্ষণ সতেজ রাখে, ফলে ঘুম সহজে আসতে পারে না। অনিদ্রা থাকলে তাই অবশ্যই ছেড়ে দিন চা বা কফি।

৩) ঘুমোতে যাওয়ার আগে ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন দূরে সরিয়ে রাখুন। এতে আপনি যে দীর্ঘ সময় ধরে নিজের চোখকে ক্লান্ত করেছেন, সেই ক্লান্তি থেকেও মুক্তি পাবেন আর কেউ আপনাকে বিরক্ত করতে পারবে না।

৪) প্রতিদিন প্রাণায়াম বা যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সেটা আপনাদের অনিদ্রা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এই নিয়মগুলো মানলে অবশ্যই আপনার অনিদ্রা দুরীভুত হবে এবং আপনারা সকলে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হতে পারবেন।