ঈশ্বর নিজেই দেন আসন্ন বিপদের পূর্বাভাস, কীভাবে বুঝবেন…

0
10236

বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদুর। সত্যিকারের বিশ্বাস যদি কারও মনে থাকে তবে তার জীবন খুব সুন্দর ভাবে অতিবাহিত হয়। আর মনের মধ্যে বাজে চিন্তাধারা, অবিশ্বাস থাকলে তার জীবনে কোনো দিনও সুখ আসে না। অনেকে মনে করেন ঈশ্বর বলে কিছু নেই, পুরোটাই ভন্ডামি। আবার অনেকে মনে করেন ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে, তিনি প্রকৃতই আছেন।

তিনি সব কাজে আমাদের সাহায্য করছেন। আমাদের সঠিক দিশা দেখাচ্ছেন। কিন্ত মজার ব্যপার হল যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না তারা যখন বিপদে পরেন তখন তারাই ঈশ্বরের দারস্থ হন। কিন্তু পুরান মতে কি বলছে ঈশ্বর কি সত্যিই আছেন, নাকি সবটাই কল্পনা।

বাইবেলের মতে বিশ্বাসটাই সত্য, বিশ্বাসকে মেনে নিয়ে ঈশ্বরের কাছে যেতে হবে। ঈশ্বরের অস্তিত্ব যেমন প্রমান করা যায়নি তেমন ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই এটাও প্রমান করা যায়নি। বিশ্বাস ছাড়া ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন তারা ভাবেন ঈশ্বরই তাদের পথ প্রদর্শক। তাদের সঠিক পথ দেখান ঈশ্বরই।

অনেক সময় বাড়িতে কুপ্রভাব পরে, যার জন্য বাড়ি থেকে সুখ সমৃদ্ধি বিদায় নেয়। বাড়িতে অশান্তি, অসুখ, বিপদের সম্ভবনা দেখা যায়। তখন আমরা ঈশ্বরের দারস্থ হই। আমরা বিভিন্ন উপায়ে বাড়িতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হই। বাড়িতে সি-সল্ট রাখি, যাতে কোনো নেগেটিভ এনার্জি বাড়িতে প্রবেশ না করতে পারে।

বাড়িতে অপ্রয়োজনীয় জিনিস রাখি না বা ঘর পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করি, যাতে নেগেটিভ এনার্জি দূর হয়ে যায়। বাড়িতে অনেকে লাফিং বুদ্ধের মূর্তি বসান, যাতে কোনো কুদৃষ্টি না পরে। অনেকে বাড়ির প্রবেশদ্বারে হনুমানজীর পঞ্চমুখ সহ মূর্তি বসান, যাতে কোনো কুদৃষ্টি না পরে।

আর সবটাই আমরা করে থাকি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে। ঈশ্বর যেমন আমাদের রক্ষা করেন, আমাদের সঠিক পথ দেখান, তেমনই আমাদের চারিপাশে আসন্ন বিপদের পূর্বাভাস কিন্তু ঈশ্বরই দেন। যেমন কোনো কোনো সময় আমরা স্বপ্নে মৃত্যুর ইঙ্গিত পাই।

যেমন কথায় আছে কেউ যদি স্বপ্নে দাড়কাক দেখেন তাহলে তা মৃত্যুর লক্ষন বলে ধরা হয়। যদি বাড়িতে কোনো দেবদেবীর বিগ্রহ বা ছবি কোনো হাওয়া বাতাস ছাড়া পড়ে যায়, তাহলে ধরে নেওয়া হয় বাড়িতে কারও মৃত্যু আসন্ন। এর থেকে প্রতিকারও আছে। সাথে সাথে বাড়িতে চন্ডীপাঠ করলে এর থেকে মুক্তি মিলতে পারে।