প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই অনর্গল হাঁচি, মারাত্মক সমস্যার প্রতিকার…

0
2133

বর্তমান যুগে কিছু কিছু সমস্যা মানুষকে খুব ভোগায়। এই সমস্যাগুলো খুব ছোট হলেও বিরক্ত করে আমাদের সারাদিন। এমনই অনেকেরই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর হাঁচির সমস্যা দেখা যায়। ঘুম ভাঙলেই শুরু হয়ে যায় অনর্গল হাঁচি। সমস্যাটি আপাত দৃষ্টিতে ছোট বলে মনে হলেও সমস্যাটা কিন্তু মারাত্মক। তবে এর থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়।

কিছু নিয়ম মেনে চলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে এর প্রতিকার করা সম্ভব। তবে ঘরোয়া উপায়ে না সারলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হাঁচি মুলত এলার্জির কারনে হয়ে থাকে। বিশেষ করে শীতকালে এই এলার্জি আরও বেশি মাত্রায় জাঁকিয়ে বসে।

ঠান্ডায় যাদের এলার্জির সমস্যা আছে তাদের শীতকালে সকালে ঘুম থেকে উঠলেই হাঁচি ও কাশির সমস্যা লেগে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে এলার্জির কারনে এই হাঁচির সমস্যা দেখা দেয়। এতে সাধারন জীবন যাপন বিঘ্নিত হয়। অনেকে আবার এই সমস্যাকে সাধারন সমস্যা মনে করেন, সেটা মোটেই করা উচিত না, তাতে বিপদ আরও বাড়তে পারে।

যাদের এই সমস্যাগুলি প্রায়ই লেগে থাকে তাদের জন্য কিছু ঘরোয়া প্রতিকার রয়েছে। কিছু নিয়ম মেনে চললে অনায়াসে কাটিয়ে উঠতে পারবেন। যারা সকালে হাটতে যান বা শরীর চর্চা করেন, তারা নাক মুখ ঢেকে বাইরে যান। এতে ধুলো লাগবে না আর বাইরের তাপমাত্রার সাথে স্বাভাবিক ভাবে মানিয়ে নিতে সুবিধে হবে।

ঘুম থেকে উঠে মাটিতে খালি পায়ে না হাঁটাই ভালো। এতে সর্দি কাশির সম্ভবনা বেড়ে যেতে পারে। ঘুম থেকে উঠে খালি পায়ে হাটার অভ্যাস বদলে ফেলুন। ঘুম থেকে ওঠার পর বাইরের তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে নিতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়।

খাটের সামনে একটা কার্পেট বা ম্যাট রাখুন যাতে ঘুম থেকে উঠে খালি পা মেঝেতে দিতে না হয়। ঘুম থেকে ওঠার পর গরম জামা কাপড় পরে নিন যাতে ঠান্ডা না লেগে যায়। সর্দি কাশির সমস্যা হলে ওসুধ খান, চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন।

বাড়ি থেকে বের হবার সময় পারলে মাস্ক পরুন, যাতে বাইরের ধুলো বালি না লাগে। এতে ডাস্ট এলার্জি হয়ে সর্দির সম্ভবনা বৃদ্ধি পায়। রাত করে বাড়ি ফিরলে ভালো করে কান নাক ঢেকে নিন, যাতে ঠান্ডা কোনোভাবেই প্রবেশ করতে না পারে। এই নিয়মগুলি মেনে চললে এলার্জি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে, হাঁচির সমস্যাও থাকবে না।