প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এইভাবে প্রণাম করুন এই দেবতাকে, থাকবেনা কোন অর্থ সমস্যা, কোন রোগ…

0
8913
????????????????????????????????????????????????????????

মর্নিংওয়াক করার সময় গঙ্গার তীরে গেলে দেখতে পাবেন অনেকেই স্নান করার আগে জলে নেমে সূর্যদেবকে জল নিবেদন করছেন। সেই সঙ্গে প্রণাম জানাচ্ছেন নক্ষত্রটিকে। কিন্তু কেন ? সূর্য প্রণাম করলে কি কি উপকার পাওয়া যায় ?

শাস্ত্র মতে সূর্য হল সর্বশক্তির উৎস। তাই সর্বশক্তিমানকে জলদান করলে নেগেটিভ এনার্জি দূর হয়। ফলে কোনো ধরনের ক্ষতি হবার আসঙ্খা যেমন কমে যায়, তেমনি কর্মক্ষেত্রে চূড়ান্ত সফলতার স্বাদ আসতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, পাওয়া যায় আরও অনেক উপকার। তাই জীবনে সুখ শান্তি ও সাফল্য পেতে সকালে ঘুম থেকে উঠে কি করা উচিৎ তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রতিবেদনটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

শরীর, মন ও আত্মাকে চাঙ্গা রাখতে – এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে নিয়মিত সূর্যদেবকে জলদান করলে মনের ভিতরে বেঁধে থাকা খারাপ চিন্তা দুর হয়। সেই সঙ্গে দেহে ভিতামিন-ডি এর মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে নানাবিধ রোগ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। এক কথায় শরীর, মন ও আত্মাকে যদি চাঙ্গা রাখতে চান তাহলে প্রতিদিন সূর্যকে প্রণাম করতে ভুলবেন না।

চলার পথে বাঁধা দূর – জীবনে যদি সুখ শান্তি ও সাফল্য পেতে চান তাহলে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পূর্বদিকে গিয়ে সূর্যদেবকে প্রণাম করুন। শাস্ত্রমতে সূর্য হল ‘Soul Of The Universe’, অর্থাৎ প্রানের উৎস। তাই সকালবেলা সূর্যদেবকে প্রণাম করলে জীবনে চলার পথে আসা বাঁধা সরে যায়। ফলে কোন ধরনের ক্ষতি হবার আসঙ্খা একেবারেই কমে যায়। সেই সঙ্গে পরিবারের সুখ শান্তি বজায় থাকে। তাই সারা জীবন যদি আনুন্দে কাটাতে চান তাহলে প্রতিদিন সকালে উঠে সূর্যকে জলদান করতে ভুলবেন না।

আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি – শাস্ত্রমতে সূর্যদেবকে নিয়মিত অর্ঘ প্রদান করলে মনের ভিতর লুকিয়ে থাকা ভয় দুরে পালায়। সেই সঙ্গে আত্মবিশ্বাস এতটা বেড়ে যায় যে যেকোন ধরনের বাঁধা পের হতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, ইগো রাগ এবং লোভের মতন খারাপ দোষের প্রভাবও কাটতে শুরু করে।

চূড়ান্ত সফলতার স্বাদ – হিন্দু ধর্ম নিয়ে লেখা বহু বইয়ে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে সূর্যমন্ত্র পাঠ করার মধ্য দিয়ে প্রতিদিন সকালে যদি সূর্যদেবতার আরাধনা করা যায় তাহলে মনের মতন চাকরি পাওয়ার সম্ভবনা যেমন বেড়ে যায় তেমনি কর্মক্ষেত্রে চূড়ান্ত সফলতার স্বাদও পাওয়া যায়। তাই প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ‘ওঁ সূর্যায় নমঃ‘ মন্ত্রটি পাঠ করুন।