খাদ্যাভ্যাসে এই ৫ টি পরিবর্তন ভালো রাখবে আপনার হার্ট…

0
1542
man hands with heart

হৃদরোগ মানে হার্টের অসুখ। এই হার্টের অসুখ বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে। যেমন অতরিক্ত হাইপারটেনশন বা হাই ব্লাড প্রেসার থেকে। শরীরে রক্ত স্বঞ্চালন করতে হলে হার্টের নিজস্ব রক্তের প্রয়োজন। এই নিজস্ব রক্ত বহনের জন্য যে রক্তনালীগুলো আছে, সেখানে যদি কোনো রোগ হয়, তাহলে ক্রমাগতভাবে রক্ত কমতে কমতে হার্টের রোগ হতে পারে।

আমাদের খাবারের তালিকার মাত্র পাঁচটি পরিবর্তন আমদের স্ট্রোক বা হৃদরোগ থেকে বাঁচাতে পারে। এক গবেষণা থেকে জানা যায়, ব্রিটেনে যত মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে বেশির ভাগ মৃত্যুর জন্য দায়ি এই হৃদরোগ।

তবে ডাক্তারদের মতে একটু সাবধানে থাকলে এই হৃদরোগ ঠেকানো সম্ভব। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলে হার্ট ভালো থাকবে ও সুস্থভাবে জীবন যাপন করা যাবে। আসুন জেনে নেই খাবারে কি ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে।

১. প্রচুর পরিমানে ফাইবার যুক্ত খাবার খেতে হবে। এই সব খাবার খেলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয় এবং এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। বেশী পরিমানে আঁশ যুক্ত খাবার যেমন শিম, মটরশুঁটি, কলাই, ডাল জাতীয় শস্য, ফলমূল খাওয়া খুবই প্রয়োজন। এছাড়াও অনেক ডাক্তারদের মতে, আলু, শেকড় জাতীয় সবজি সব খোসাসহ রান্না করে খাওয়া উচিত।

২. অতিরিক্ত পরিমানে চর্বিযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো। যেমন খাসির মাংস একদমই খাওয়া উচিত নয়। এই সব খাবার খেলে শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। সপ্তাহে অন্তত একদিন তেল যুক্ত মাছ খেতে হবে। স্ক্রিপ ও বিস্কিটের বদলে নানা বাদাম ও বীজ খেতে পারেন।

৩. বেশী পরিমানে নুন বা কাঁচা নুন খাওয়া যাবে না। বেশী নুন খেলে শরীরের রক্তচাপ বেড়ে যায়। এর ফলে বৃদ্ধি পায় হৃদরোগের ঝুঁকি। ব্রিটেনের এক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের পরামর্শ হলো দিনে সর্বোচ্চ ৬ গ্রাম (এক চা চামচের পরিমাণ) লবণ খাওয়া যেতে পারে।

৪. বেশী পরিমানে খনিজ লবন আছে যে খাবারে সেই সব খাবার খাওয়া দরকার। এই সব খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ৫. লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার কম খান আর ভিটামিন ও মিনারেল যুক্ত খাবার বেশী খান, তাহলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here