এই জিনিসটি খান প্রতিদিন, ডায়াবেটিসকে বিদায় দিন…

0
7395

প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে কিছু না কিছু রোগ লেগেই রয়েছে। অনেকের জীবন তো ওষুধের উপরেই চলছে। জ্বর সর্দি কাশি তো লেগেই থাকে অনেকেরই। তেমনি কারও কারও প্রেসারের সমস্যাও আছে, সেরকমই একটা খুব কমন সমস্যা হল ডায়বেটিস। ৭০-৮০ শতাংশ মানুষের মধ্যে ডায়বেটিসের সমস্যা দেখা যায়। এমন কোনো পরিবার নেই যেখানে ডায়বেটিসের রোগী নেই, ডায়বেটিস এখন মহামারি রোগে পরিনত হয়েছে।

এটি এমনই একটা রোগ যা কোনোদিনও সাড়ে না। কিন্তু খুব সহজেই এই রোগকে নিয়ন্ত্রন করা যায়। মানুষের শরীরে ইনসুলিন হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়, দেহে গ্লুকোজ পৌছাতে পারে না, তাই রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বেড়ে যায়। এই কারনে ডায়বেটিস হয়।

সাধারন প্রসাবের সাথে অতিরিক্ত গ্লুকোজ বেরিয়ে যায়, সেই কারনে ডায়বেটিস রোগীদের প্রসাব বেশি হয়।  ঘনঘন প্রসাব হওয়ার কারনে অতিরিক্ত গ্লুকোজ বেরিয়ে যায়, যার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করতে পারে না কোষ গুলি, ফলে দুর্বলতা অনুভব করে রোগী।

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে যদি রোগী ব্যবস্থা না নেয় তাহলে রক্তনালি, স্নায়ু, কিডনি, হৃদপিন্ডে বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। ঘনঘন প্রসাব হওয়া, নিয়মিত খাওয়ার পর ঘনঘন ক্ষিদে পাওয়া, বাড়বার তেষ্টা পাওয়া, প্রচন্ড ক্লান্তি ভাব, চোখে ঝাপসা দেখা, হাতে পায়ে ব্যথা বা মাঝে মাঝে হাত পা অবশ হওয়া, এই সব হল ডায়বেটিসের লক্ষন।

তবে ডায়বেটিসকে চাইলেই নিয়ন্ত্রন করা যায়। খাবার ব্যপারে একটু সচেতন হতে হবে। যেমন চায়ে চিনি না খাওয়া, মিষ্টি না খাওয়া, আলু না খাওয়া, পরিমান মত খাবার খাওয়া, এসব ব্যপারে একটু খেয়াল রাখতে হবে। তার সাথে শারীরিক পরিশ্রমও করতে হবে।

দিনে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। ডায়বেটিস রোগীদের জন্য সকালে ঘুম থেকে উঠে অন্তত ৩০ মিনিট হাটতে পারলে খুব উপকারী। এছাড়াও সাম্প্রতিক গবেষণায় একটি নতুন তথ্য উঠে এসেছে। প্রত্যেকদিন একটি করে ডিম খেলে ডায়বেটিস থেকে দূরে থাকা যায়।

ডিমে এমন কিছু উপাদান আছে যা রক্তে মিশে ডায়বেটিসের প্রবনতা আটকাতে পারে। ডিম কোলেস্টরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু ডিম রক্তে থাকা জৈব রাসায়নিক পদার্থের বাড়বাড়ন্তে বাধা দেয়।