নিজের স্তনকে অবশ্যই সপ্তাহে ১ মিনিট দিন, পরামর্শ ফ্যাশন ডিজাইনারের…

0
97932

মহিলারা বাড়ির জন্য সব কিছু করেন, তার পরিবারের জন্য সব কিছু করেন, তার সন্তানের জন্য সব কিছু করেন, কিন্তু নিজের জন্য কিছুই করেন না। নিজের দিকে খেয়াল রাখেন না। এমনকি নিজের শরীরের কথাও চিন্তা করেন না। আবার অনেক সময় বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে পরিবারের জন্য কাজ করে যেতে হয় তাদের।

বাড়ির মহিলারা অনেক অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করেন, যার জন্য বিভিন্ন রোগ ব্যাধি দেখা দেয়। এমনভাবে থাকার জন্য মহিলাদের অনেক কঠিন রোগ আক্রমণ করে অনেক অল্প বয়সেই। যেমন বর্তমানে মেয়েদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা প্রচন্ড ভাবে বেড়ে গেছে।

শুধু একটু অসাবধানতার জন্য এরকম একটা মারন রোগ থাবা বসায় মহিলাদের শরীরে। যদিও স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে মৃত্যু হয় না, কিন্তু স্তন বাদ দিতে হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। তবে একটু সচেতন ভাবে চললে এই রোগ আপনার ধারের কাছে আসতে পারবে না।

পিরিয়ড চলার সময় অনেকেরই ব্রেস্টে ব্যাথা হয়। এই ব্যাথা কমাতে ব্রেস্ট ম্যাসেজ করা যেতে পারে। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসেজ করলে এই ধরনের ব্যথা বা অসস্তি কমে। অনেকের ব্রেস্ট অল্প বয়সে ঝুলে যায়, দেখতে বাজে লাগে। সেক্ষেত্রে সপ্তাহে তিন দিন ব্রেস্ট ম্যাসেজ করলে খুব উপকারী।

ব্রেস্ট ম্যাসেজ ব্রেস্টকে টাইট রাখতে সাহায্য করে। অনেকের শরীর বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্রেস্টের বৃদ্ধি হয় না। এক্ষেত্রে ব্রেস্ট ম্যাসেজ বেশ উপকারী। ব্রেস্ট ম্যাসেজ করলে ব্রেস্টে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, টিস্যু গুলোর পরিবর্তন হয়, ফলে ব্রেস্টের আয়তন বৃদ্ধি হয়।

ফ্যাশন ডিজাইনার অনুপমা দয়াল বলছেন মহিলারা নিজেদের জন্য অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করেন বলে নিজেদের দিকে খেয়াল রাখতে পারেন না। সেই কারনে বিভিন্ন রোগ বাসা বাধে, তার মধ্যে স্তন ক্যান্সার এখন অন্যতম।

অনুপমা দয়ালের কথায় সারা সপ্তাহে মহিলারা যদি নিজের স্তনকে একমিনিট সময় দেন, তবে তারা নিজেরাই বুঝতে পারবেন কি অবস্থায় রয়েছে তাদের স্তন ও স্তন ক্যন্সারের সম্ভবনাও আগাম জানতে পারবেন বা স্তন ক্যান্সার হলে তা দ্রুত ধরা পরবে।

স্তন ক্যান্সার নিয়ে সেমিনার আয়োজিত হলে অনেক মহিলারা আসেন না, তাই অনুপমা দয়াল পুরো অন্য রাস্তায় হেটে ফ্যাশন সো আয়োজন করেছিলেন। সেখানে তিনি ব্যবহার করেছিলেন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়া মহিলাদের বা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়া মহিলাদের। যার মাধ্যমে তিনি সকল মহিলাকে একটিই বার্তা দিতে চেয়েছেন, ‘নিজেদের দিকে খেয়াল রাখার জন্য’।