স্বামী দেখতে সুন্দর নন, তাই অন্য পুরুষের কাছ থেকে সন্তান নিতে চাইলেন স্ত্রী…

0
190703

আই-ভি-এফ এই পদ্ধতির কথা আমরা অনেকে হয়তো জানি, আবার অনেকে হয়তো জানিনা। তো যারা জানিনা তাদের জন্য খুব সহজ করে বলতে গেলে বলতে হয় ‘ভিকি ডোনারের’ সিনেমার গল্প যা আমরা প্রায় সবাই জানি। সিনেমাটা আমরা সবাই প্রায় দেখেছি। তিনি মহিলাদের স্পার্ম ডোনেট করতেন, যে স্পার্ম ডোনেট করে সন্তান উৎপাদন করাটা বর্তমানের একটি খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

এই প্রক্রিয়াটার নামই হচ্ছে আই ভি এফ। বর্তমানে যাদের সন্তান নেই, এমন অনেক মহিলাই এখন এই স্পার্ম ডোনারের মাধ্যমে সন্তান নিচ্ছেন, কৃত্রিম উপায়ে সন্তান উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু এখন আপনাদের আমি যে মহিলার কথা বলবো তার কথা শুনে আপনি রীতিমত চমকে যাবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক পুরো গল্পটা।

জানা গেছে যে এই মহিলা প্রায় তিন বছর হল বিবাহিতা এবং তার কোন সন্তান নেই, সেহেতু তিনি একটি সন্তান নিতে চান। এই জন্য তিনি একজন শুক্রাণু দাতার সন্ধান করছিলেন, সন্তান ধারনে অখ্যম অনেক মহিলাই এই সিদ্ধান্ত নেয়।

কিন্তু এ আবার কি কথা, সেই মহিলা এই কারনে মোটেও সন্তান চান না যে তিনি সন্তান উৎপাদনে অখ্যম। বরং তিনি জানান যে তার স্বামী দেখতে খারাপ তাই তিনি তার স্বামির থেকে সন্তান চান না বরং অন্য পুরুষের থেকে সন্তান চান।

তার স্বামির বক্তব্য “আমি আমার স্ত্রীর সাথে যখন বাচ্চার কথা বলি, তখন আমার স্ত্রী বলে যে তিনি একজন স্পার্ম ডোনারের কাছ থেকেই সন্তান চান। এর পিছনে আমার স্ত্রী এটাও যুক্তি দিয়েছিল যে, যদি এই পদ্ধতিতে সন্তান নেয়, তাহলে আমাদের সন্তান জীবনে অনেক এগিয়ে চলবে এবং ভালো থাকবে।”

তবে প্রথমে তিনি বিষয়টি বুঝতে না পারলে সে আবার তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেন যে আসলে কি জন্য সে এটা চায় ? উত্তরে তার  স্ত্রী তাকে বলে যে, “তিনি যদি আকর্ষণীয় এবং বুদ্ধিমান ব্যক্তির শুক্রাণু থেকে সন্তানের জন্ম দেন তাহলে সে আগামী জীবনে বহুক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকবে।”

আসল কারন খুঁজতে তার স্বামী জানিয়েছেন যে, তার স্ত্রী যে শুক্রাণু দাতার শুক্রাণু চান তার সাথে অনেক আগে থেকেই সম্পর্ক আছে তার স্ত্রীর, তাই তিনি আদলতে একটি ডিভোর্সের মামলা করেছেন। এই প্রতিবেদনের সত্যতা দি থার্ড বেল যাচাই করেনি, ভারতীয় একটি দৈনিক ওয়েব পোর্টাল থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এই প্রতিবেদনটি বানানো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here