এই পাঁচ ধরনের মানুষের থেকে সব সময় দূরে থাকুন, না হলেই সর্বনাশ…

0
1932

চানক্য ভারতের আদি শিক্ষক। তিনি একদিকে যেমন দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, আইনজ্ঞ এবং রাজকীয় উপদেষ্টা। তিনি বিষ্ণুগুপ্ত এবং কৌটিল্য নামে পরিচিত। প্রাচীন ভারতের রাজনৈতিক গ্রন্থ এবং অর্থশাস্ত্রের লেখকও তিনি। আচার্য বলে গিয়েছেন যে এই পাঁচ ধরনের লোকের সাথে কখনো ভুলেও সম্পর্ক স্থাপন করা উচিৎ নয়। তা নাহলে আপনার জীবনে দুঃখ দুর্দশা নেমে আসতে পারে।

অলস – আলস্য মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। কারণ আলস্যই মানুষের সফলতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অলস ব্যক্তি জীবনের সঠিক সময়কে কাজে লাগাতে পারে না। অলসতার কারণে ব্যক্তি তার কর্তব্য থেকেও দূরে চলে যায়। যা তাকে অন্যদের কাছে খারাপ মানুষ হিসাবে চিহ্নিত করে।

অলস মানুষ না নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখে, না তার কাজের প্রতি। অলস মানুষের সংস্পর্শে যারা আসে তারাও ধীরে ধীরে অলস হয়ে পরে। তাই আচার্য চানক্য বলে গিয়েছেন যে অলস মানুষের থেকে সবসময় দূরে থাকা ভালো।

নাস্তিক – অনেকেই আছেন যারা ভগবান ও ধর্মে বিশ্বাস করেন না। যার ফলে এদের ধর্ম সম্পর্কে কোন জ্ঞ্যান থাকে না। এমন ব্যক্তিরা ধর্ম ও শাস্ত্র সম্পর্কে বিশ্বাস না থাকার ফলে ভুল পথে চলে যায় এবং নানা রকম পাপ কার্জ করে থাকে।

নিয়ম নীতি না মানার ফলে ঘোর থেকে ঘোর অপরাধ করতেও তারা পিছপা হয় না। ফলে এরা তো নিজের জীবনকে নরক বানিয়েই ফেলে, এমনকি যারা এদের সাথে চলাফেরা করেন তারাও এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই আচার্য চানক্যের মতে এমন ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

অতিরিক্ত রাগি – কথায় কথায় রেগে যাওয়া ব্যক্তিদের সাথে দানবের সাথে তুলনা করেছেন আচার্য চানক্য। এটা মনে রাখতে হবে যে রাগ সবসময় নিজেরই ক্ষতি করে। এমনকি অনেক সময় রাগি ব্যক্তিরা নিন্দা ও হাসির পাত্র হয়ে ওঠে।

রাগি ব্যক্তিরা তাদের বন্ধু ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতেও ভোলেন না। অনেক সময় হিতাহিত জ্ঞ্যান হাড়িয়ে অনেক বড় কাণ্ড ঘটাতে পারেন এরা। তাই বাঁচতে চাইলে এদের থেকে দূরে থাকাই মঙ্গল।

ঈর্ষান্বিত ব্যক্তি – যারা অন্যের ভালো দেখতে পারেন না তারা কখনোই ভালো মানুষ হতে পারেন না। এরা নিশ্চিতভাবে কূটবুদ্ধি সম্পন্ন এবং পাপি হয়ে থাকেন। এরা অন্যকে ছোট করে দেখানোর জন্য যেকোনো পর্যায়ে যেতে পারেন। এমন ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করলে আপনিও তার ঈর্ষার শিকার হবেন।

নে’শাগ্রস্ত ব্যক্তি – যে ব্যক্তি ম’দ এবং বিভিন্ন রকম নেশায় আসক্ত, তাদের হিতাহিত কোন জ্ঞ্যান থাকেনা। এমন ব্যক্তি ভালো মন্দ বিচার করার ক্ষমতা হাড়িয়ে ফেলেন। নে’শায় মত্ত হয়ে কোন খারাপ কাজ করতেও তারা পিছপা হন না। এসব ব্যক্তিদের সাথে যারা বন্ধুত্ব করেন তারাও একসময় নষ্ট হয়ে যান। তাই আচার্য চানক্য এমন মানুষদের থেকে দূরে থাকতে বলেছেন।