মা লক্ষ্মীর পাশে চুপচাপ রেখে দিন এই জিনিস, থাকবে না আর টাকার অভাব…

0
2394

মা লক্ষ্মী শুধু ধনের দেবী নন, তার অপার মহিমাও রয়েছে অনেক। তার আশীর্বাদ শুধুমাত্র অভুক্ত মানুষদের খুদা নিবারনের জন্য নয়, গৃহস্তের কল্যানের জন্যও। অপ্রয়োজনীয় কাজে অর্থ ব্যায়ের সময় তিনি হয়ে ওঠেন চঞ্চলা। যারা সৎ পথে চলে, সৎ কাজের বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করেন, তাদের ওপর মায়ের শুভ দৃষ্টি সর্বদা অটুট থাকে।

বলা হয় কিছু জিনিস যদি মা লক্ষ্মীর পাশে রাখা যায় তাহলে তিনি অতিভ প্রসন্ন হন। এতে ওই বাড়িতে কখনও অর্থের অভাব থাকে না। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক সেইগুলি সম্পর্কে।

গৃহের কল্যানের জন্য এই জিনিসগুলো বাড়িতে বা বাড়ির ঠাকুর ঘরে রাখা খুবই শুভ। তাই মা লক্ষ্মীর পাশে এই জিনিসগুলো রেখে ধুপ-প্রদীপ দেখান। এছাড়াও দক্ষিণাবর্ত শঙ্খকে বলা হয় মা লক্ষ্মীর শঙ্খ। এক টুকরো সাদা বা হলুদ রঙের কাপড় দিয়ে একটি রুপোর বা মাটির পাত্রের ওপর রাখতে হয় এই শঙ্খ। এই শঙ্খ মা লক্ষ্মীর পাশে রাখলে গৃহস্তে অনেক আশীর্বাদ বর্ষিত হয়।

পুজোর সময় মায়ের মূর্তি বা ছবির সামনে দুটি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে তা মঙ্গল হয়। এর সঙ্গে পদ্ম, নারকেল ও ঘিয়ের ভোগ দিলে মা খুব প্রসন্ন হন। কারণ পদ্মফুলকে দেবীর আবাস বলে চিহ্নিত করেন সনাতন বিশ্বাস। তাই পুজোর সময় মা লক্ষ্মীর পাশে চুপচাপ একটি পদ্মফুল রেখে দিন। এতে বদলে যাবে আপনার ভাগ্য।

বাস্তুশাস্ত্র মতে মানিব্যাগে কিছুটা কর্পূর কাগজে মুরে রাখলে মা লক্ষ্মীর কৃপায় অর্থের মন্দাবস্তা দূর হয়। এছাড়াও খেয়াল রাখবেন লক্ষ্মীর ঝাঁপিটি সবসময়ই যেন ধানে পরিপূর্ণ থাকে। কখনও যেন ভুলেও খালি না হয়।

লক্ষ্মীর ভাঁড় যদি শূন্য থাকে তাহলে আপনার কোষাগারও শূন্য হয়ে পরতে পারে। তাই পুজোর সময় অল্প হলেও কিছু ধান কিনে এনে মা লক্ষ্মীর ঝাঁপিতে রাখুন। এতে আপনার বাড়ি ধন সম্পদে পরিপূর্ণ থাকবে।

একটি বাঁশের বাঁশিকে কাপড়ে জড়িয়ে মা লক্ষ্মীর কাছে রাখলে মা প্রসন্ন হন। আর এই বাঁশি হল বিষ্ণুর অবতার শ্রীকৃষ্ণের অত্যন্ত প্রিয়। তাই এই বিশেষ প্রিয় জিনিস মা লক্ষ্মীরও।