বেশি আম খেলে স্বাস্থ্যের যেসব ক্ষতি হয়…

0
3330

ভারতের জাতীয় ফল আম। আমকে ফলের রাজা বলা হয়। সবার কাছেই সব ফলের মধ্যে আম খুব বেশী প্রিয় এবং লোভনীয়। কাচা বা পাকা আম দুটোই সবার কাছে খুব প্রিয়। ভাতের সাথে আমের টক বা রাতে রুটি দিয়ে পাকা আম না হলে বাঙালিদের একবারেই চলে না। কিন্তু গবেষশদের মতে বেশি আম খাওয়া নাকি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

ডাক্তারি সুত্রে জানা গেছে, পাকা আম খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই উপকার। কারন পাকা আম অনেক ভিটামিনে সমৃদ্ধ। রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, থায়ামিন, রিবফ্লাভিন, ভিটামিন এ বা বিটা ক্যারোটিন। এছাড়া আছে উচ্চমাত্রার চিনি, কার্বহাইড্রেড ও গ্লাইসেমিক। আম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস, কারন পাকা আমে আছে ফিনলিকস জাতীয় উপাদান।

কিন্তু আমের মধ্যে সব থেকে বেশী পরিমাণে থাকে চিনি, যার ফলে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেড়ে যায়। ডাক্তারদের মতে আম খেলে তাদের বেশি ক্ষতি হয় যাদের ব্লাড সুগার আছে, কারন আম রক্তের মধ্যে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে। যার ফলে শরীরের অনেক ক্ষতি হয়। এছাড়াও আম থেকে অনেক ক্ষতি হতে পারে, যেমন –

ত্বক জ্বালা – নানান সমস্যা হয় এই আমের আঠা থেকে। আম খাওয়ার সময় সবসময় খেয়াল রাখতে হবে আমের আঠা যেন কোনোভাবেই মুখে না লেগে যায়।

অ্যালার্জি – অ্যালার্জি থাকলে আম খাওয়া একবারেই উচিত নয়। ব্রন, রাশ, চুলকানির সমস্যা দেখা দিতে পারে আম খেলে। তাই এক্ষেত্রে আম থেকে দূরে থাকাই ভালো।

ব্লাড সুগার – যাদের ব্লাড সুগার আছে তাদের আম খাওয়া কখনোই উচিত নয়, কারন আমের মধ্যে চিনির পরিমাণ খুব বেশী থাকে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই আম খান মেপে মেপে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হজমের সমস্যা – খুব বেশী পরিমাণে আম খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বদহজম, পেট ফোলা, গ্যাসের মত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে আম খেলে।

বাতের ব্যথা – অনেক সময় দেখা যায় আম খেলে বাতের ব্যাথা খুব বেশী বেড়ে যায়। কারন আমের মধ্যে শর্করা, চিনি খুব বেশী পরিমানে থাকে। তাই যাদের বাতের ব্যাথা আছে তারা আম কম খান, আম বেশী খেলে নিজেদেরই ক্ষতি।

যদি আম খেতেই হয় তাহলে আম চিবিয়ে না খেয়ে জুস করে খান। এর ফলে আমের মধ্যে থাকা ফাইবার গুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আমের ফাইবারের গুণাগুণ পাওয়া যায় না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here