এই ২টি জিনিস প্রতিদিন খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে…

0
2537

আমরা সবাই জানি ক্যান্সার এখনও পর্যন্ত একটা মারন রোগ। ক্যান্সারের সঠিক চিকিৎসা আমাদের দেশে এখনও সেইভাবে শুরু হয়নি। ক্যান্সারের সঠিক ওসুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি। তাই ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হারও বেশি। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় ক্যন্সার ধরা পড়লে সেটা সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু অনেক সময় সঠিক চিকিৎসার অভাবে রোগ ধরতে দেরি হয়ে যায়।

সর্বমোট ২০০ ধরনের ক্যান্সার রয়েছে, আর তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি আলাদা আলাদা। এনিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। সাধারণত কোষ গুলো অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বাড়তে থাকলে ত্বকের নিচে মাংসের দলা বা চাকা দেখা যায়, একে টিউমার বলে। টিউমার ২ ধরনের, ম্যালিগনেন্ট আর বিনাইন। এই ম্যালিগনেন্ট টিউমারই ক্যান্সারে পরিনত হয়।

যেসব ক্যান্সার গুলো বেশি হয়ে থাকে তাদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার বা লিভার ক্যান্সার খুবই কমন। অনেকেই নিয়মিত ধূমপান, মদ্যপান করেন। অতিরিক্ত ধূমপান বা অতিরিক্ত মদ্যপান ফুসফুসের ক্যান্সারের অন্যতম কারন।

এছাড়া বংশানুক্রমিক ভাবেও ক্যান্সারের জার্ম ছড়ায়, যেমন স্তন ক্যান্সার। মায়ের যদি স্তন ক্যান্সার হয় তাহলে মেয়েরও স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা থাকে। এছাড়াও আরেকটি ক্যান্সার এখন প্রবল ভাবে ছড়াচ্ছে, যেটা হল কোলন ক্যান্সার বা মলাশয়ের ক্যান্সার।

ক্যান্সারের মধ্যে এখন কোলন ক্যান্সার দিত্বীয় স্থানে। মলাশয় ও মলদ্বারের সংযোগস্থলে এই ক্যান্সার হয়ে থাকে। চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ও আঁশ জাতীয় খাবার কম খেলে কোলন ক্যান্সার হয়। আলসারের সমস্যা থাকলে এই ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

ক্রনিক ডাইরিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলেও কোলন ক্যান্সারের সম্ভবনা থাকে। বর্তমান গবেষণা আরও এক নতুন তথ্য দিচ্ছে। তারা বলছে যারা দৈনিক পেয়াজ রসুন কম খান বা আঁশ জাতীয় খাবার কম খান তাদের কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

যারা রোজ পেয়াজ রসুন বেশি করে খেয়ে থাকেন তাদের ৭৯ শতাংশ ক্যান্সার না হওয়ার সম্ভবনা থাকে। গবেষণা আরও বলছে একজন মানুষ কোথায় থাকে ও কিভাবে জীবনযাপন করে তার উপর নির্ভর করে কোলন ক্যান্সার।