প্রেসার লো ? হাতের কাছেই রয়েছে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়…

0
5093

বর্তমান যুগে অনেকেই রক্তচাপের সমস্যা নিয়ে ভোগেন। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে প্রত্যেকেই সচেতন, কিন্তু নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে কেউ গুরুত্ব দেয় না। গরমে অনেকের রক্তচাপ নিম্ন হয়ে যায়। সাধারনত একজন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ হওয়া উচিত ১২০/৮০। যদি রক্তচাপ ৯০/৬০ এর কম হয়ে থাকে তাহলে সেটাকে নিম্ন রক্তচাপ বা লো প্রেসার বলে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা থাকলেও নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে তেমন দুশ্চিন্তার কারন থাকে না। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই লো প্রেসার থাকলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। উচ্চ রক্তচাপ সবসময় ভয়ঙ্কর। কিন্তু কিছু কিছু সময় নিম্ন রক্তচাপও খুব ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে।

যদি কারও রক্তচাপ ৯০ এর কম হয়ে থাকে তাহলে সেটা নিম্ন রক্তচাপ হিসাবে ধরা হয়। কিছু নিয়ম মেনে চললে নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। গরমে শরীর ঘেমে গিয়ে পরিশুন্যতা দেখা যায়, এর ফলে অনেকেই লো প্রেসারে আক্রান্ত হয়।

অতিরিক্ত পরিশ্রম হলে লো প্রেসার দেখা দিতে পারে। ভয়, অবসাদ, দুশ্চিন্তা এসব কারনে লো প্রেসার দেখা যায়। শরীরে পুষ্টিজনিত সমস্যা থাকলে লো প্রেসার হতে পারে। কম ঘুমের কারনে লো প্রেসার হয়ে থাকে। বদহজম হলে প্রেসার লো হয়ে থাকে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরন হলেও প্রেসার লো হয়ে যায়।

কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যা মেনে চললে লো প্রেসারের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যেমন নুন জল – নুনে সোডিয়াম আছে যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। এক গ্লাস জলে অর্ধেক চামচ নুন মিশিয়ে দিনে দুবার করে খেলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।

কফি – দুধ চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি রক্তচাপ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। প্রতিদিন ১ কাপ বা দু কাপ এই ব্ল্যাক কফি খেলে রক্তচাপ বাড়বে। গাজরের রস – সকালে খালি পেটে গাজরের রস খান, সাথে মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এটা দিনে দুবার খান। এটা ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে।

কিশমিশ – নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে কিশমিশের ব্যবহার প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। প্রতিদিন রাতে একটা বাটির মধ্যে ৩০-৪০ টা কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে দিন। পরের দিন সকালে উঠে কিশমিশ গুলো খেয়ে ভিজানো জল টুকুও খান, এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকবে

বাদাম দুধ – সাত আটটি কাটবাদাম সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এটি পেস্ট করে নিন, তারপর একগ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে খান। এই পানীয় রক্তচাপ বাড়তে সাহায্য করে।