মিষ্টি খেয়েও নিয়ন্ত্রণে থাকবে ব্লাড সুগার, মাথায় রাখতে হবে এই ৪টি টিপস…

0
11551

যত দিন যাচ্ছে মানুষের মধ্যে রোগের বাসা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। চারিপাশের খাবারের কারনে হোক বা শারীরিক কারনেই হোক, খুব অল্প বয়সেই মানুষ এখন আগের তুলানায় অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সেই কারনে ওসুধের উপরে বেশি করে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে মানুষ। খাদ্যাভাসে অনেক পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। অনেক রোগের কারনে অনেক খাওয়ার খেতে না করে দিচ্ছেন ডাক্তাররা।

খাবারের থালা থেকে পছন্দের খাবার বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, যেমন ধরা যাক মিষ্টি। বর্তমান যুগে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সুগার বা ডায়াবেটিস নামক রোগে আক্রান্ত হয়। ডাক্তারি তালিকায় এর কোনো যোগ্য ওসুধ নেই, শুধু নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। আর এই নিয়ন্ত্রনে রাখতে গিয়ে পছন্দের খাবারের তালিকা থেকে বাদ চলে যাচ্ছে মিষ্টি।

পুজোর মরসুমে সবাই যখন মিষ্টি খেতে ব্যস্ত তখন আপনার পাতে মিষ্টি নেই, শুধু ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য। যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন তাদের মিষ্টির দিক থেকে চোখ সরিয়ে রাখতে হয়। এবার তাদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ। মিষ্টি খেয়েও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখা যায় তার জন্যই এই বিশেষ প্রতিবেদন।

উৎসবের দিন গুলিতে যারা সুগারের কারনে জিলাপি, বরফি, ঘি জাতীয় খাবার, গোলাপ জামুন এই সব খাবার এড়িয়ে চলেন তারা কিছু টিপস মেনে চললেই এসব খেয়েও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারবেন। তবে শুধু টিপস মেনে চলাই না তার সাথে খাবারও খেতে হবে পরিমিত আর রোজ অভ্যাসের তালিকায় ব্যায়ামও রাখতে হবে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কি সেই টিপস। ডায়াবেটিস রোগীদের দুধ এড়িয়ে চলা উচিত। এই পানীয়ে হাইপ্রোটিন থাকায় হাড় মজবুত ও দৈহিক বিকাশে সাহায্য করে ঠিকই, কিন্তু সুগারের রোগীদের জন্য রক্তে ইনসুলিনের জন্য দুধ এড়িয়ে চলা উচিত। এদের রান্নাতেও দুধ ব্যবহার না করাই ভালো।

অনেকেই ভাবেন দুধ বারুন যখন তাহলে মিষ্টি কি করে খাবো, কিন্ত দুধ ছাড়া অনেক উপাদান আছে যেমন প্রাকৃতিক মধু, নারকেলের মাখন, গুড় চিনি, এই সব দিয়ে মিষ্টি বানানো যেতে পারে। দুধের বিকল্প হিসাবে মিষ্টি তৈরিতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন অ্যালমন্ড, বাদামের দুধ নারকেলের দুধ।

তাতে স্বাদের কিছুটা বদল হলেও খেতে ভালোই লাগবে, আর আপনার ইচ্ছাপুরনও হবে। তবে এর সাথে আপনার সুগারের লেভেল কতটা আছে তা চেক করে নিতে হবে। এই খাওয়ারের ফলে আপনার শরীরে ব্লাড সুগার কতটা প্রভাব ফেলছে তা দেখে নিতে হবে। এই নিয়ম মেনে চলুন আর উৎসবের দিন হয়ে উঠুন আরও প্রাণবন্ত।