তীব্র গরমে চামড়া পুড়লেও বিকেলের পরে ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা…

0
34448

ছোটবেলা থেকেই বাংলায় ৬ টি ঋতুর মধ্যে গ্রীষ্মের পর বর্ষাকেই আমরা জেনে এসেছি। প্রকৃতিরও কি অপরূপ খেলা যে প্রখর দাবদাহে যখন চারপাশ শুকিয়ে যায় ঠিক তখনই সব কিছুকে সবুজ করে তুলতে বর্ষাকে পাঠায়। এই অপরূপ লীলা খেলাতেই হয়তো বর্ষার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব আমরা বুঝতে পারি। বৃষ্টির আবির্ভাব না হলে আমরা হয়তো বাঁচতামই না।

আমাদের দেশে বর্ষার আগমন ঘটে প্রধানত দেশের দক্ষিণ উপকূল দিয়ে। দেশের দক্ষিণ উপকূল দিয়ে যে উপকূলীয় বায়ু প্রবাহ অর্থাৎ দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয় তার আবির্ভাবেই ঘটে থাকে বর্ষার আগমন।

ওই বায়ু ক্রমশ উত্তর দিকে ধাবিত হয় এবং পূর্ব দিকে বাঁক নেয়। ধাবিত হওয়ার সময় তা কিছুটা নিলিগীরি পর্বতে বাধা পেয়ে সেখানে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায় এবং তারপর সেই বায়ু ধীরে ধীরে উত্তর পূর্বে এগিয়ে এসে বাংলা তথা সমগ্র উত্তর পূর্ব ভারতে বৃষ্টিপাত ঘটায়।

কথা ছিল যে জুন মাসের শুরুর দিকে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকবে বর্ষা, সেই কথা মতই আকাশ মেঘলা হতে শুরু করেছে। বিকেলের পর থেকে তাপমাত্রা কমবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। সন্ধ্যার পরে বজ্রপাতে একাকার হবে রাজ্য।

প্রায় ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে হতে পারে ঝড়, আজ গোটা বাংলা জুরেই ব্যাপক বৃষ্টি পাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় এলাকা তথা দীঘা ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় ঝড়ের সম্ভাবনা বেশি হবে। ত্রিপুরা, তেলঙ্গানা, ছত্তীসগড়, মেঘালয়, নাগল্যান্ড, মিজোরাম, অসম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় বিক্ষিপ্ত বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

কর্ণাটক, সিকিম, উত্তরবঙ্গে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি পাত হবার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আন্দামান ও নিকোবর এলাকার সামুদ্রিক এলাকায় মৎস্যজীবীদের সমু্দ্রে যেতে মানা করা হয়েছে ৷

তবেও, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, অরুণাচল প্রদেশে তাপ প্রবাহে সেরম কোন পরিবর্তন ঘটবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here