অবশেষে খুশির খবর, তীব্র গরমকে দূরে ঠেলে নামতে চলেছে স্বস্তির ধারাপাত…

0
6015

এবার গরমের দিন শেষ, বেশ জোড় কদমেই আসতে চলেছে বর্ষা, জুন মাসের শুরুতেই বঙ্গে পদার্পণ করেছে বর্ষা, কমছে তাপ প্রবাহ, পড়ছে স্বস্তির নিঃশ্বাস। ২৪ ঘণ্টার পর থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টিপাত শুরু হবে গোটা রাজ্য জুড়ে। কোচবিহার থেকে কলকাতা, আলিপুরদুয়ার থেকে আরামবাগ, বাঁকুড়া থেকে মালদা, পুরুলিয়া থেকে শিলিগুড়ি, ঝড়বৃষ্টি হবে সর্বত্র।

বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার তরফে জানা গেছে যে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছিলো, এই তাপ প্রবাহই এই ঝড়বৃষ্টির পথকে মসৃণ করেছে। এই সংস্থার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা বলেন, “প্রবল গরমের প্রভাবে বিহারে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে চলেছে।

সেই সঙ্গে উত্তরপূর্ব ভারতে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত থাকবে। এই দুই ঘূর্ণাবর্তকে যুক্ত করবে একটি অক্ষরেখা। পাশাপাশি আরও একটি অক্ষরেখা বিস্তার করবে উত্তরবঙ্গ থেকে ওড়িশা পর্যন্ত।” তাই এই বৃষ্টি পালা শুরু হওয়ার জন্য প্রবল গরমকেই ধন্যবাদ দিতে হয়।

বঙ্গের পশ্চিম অঞ্চলের জেলা গুলি যেমন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে হানা দিতে পারে কালবৈশাখী, যার ফলে ঘটবে তুমুল বৃষ্টিপাত। সেই তুলনায় কলকাতা সহ অঞ্চলে ঝড় সেরম হবে না, কিন্তু বৃষ্টি হবে প্রবল, এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

উত্তরবঙ্গে ঘটবে ভারি বৃষ্টি, এই বৃষ্টি আবার কোথাও কোথাও বিপর্যয়েরও কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে। ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র বাবু আরও জানান, “বর্ষার এগোনোর কারণে বাংলাদেশের ওপরে প্রাক বর্ষার মেঘের সৃষ্টি হবে।” এই এতো গুলো কারনের জন্যে জুন মাসের আগামী সপ্তাহ জুড়ে হবে বৃষ্টিপাত।

উত্তরবঙ্গে ওয়েদার খুব খারাপও হতে পারে এই তুমুল বৃষ্টিতে, এমনটাই দাবি সংস্থার পক্ষ থেকে। সেরকম হলে হড়কা বান বা ধসও হতে পারে পাহারি অঞ্চলে, তাই পর্যটকদের উদ্দেশ্যে আগাম সতর্ক বার্তা।

কিন্তু এই বৃষ্টিতে দক্ষিণ সহ উত্তর বঙ্গের নীচের দিকে কমে যাবে তাপ প্রবাহ, তার প্রভাবে তাপমাত্রাও অনেকটাই কমে যাবে। আর কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে পারদ থাকবে ৩৪ ডিগ্রির কাছাকাছি। ফলে খানিকটা হলেও সস্তি পাবে শহরবাসি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here