মুখের সামনে সাংবাদিকদের বুম, সাক্ষাৎকার দেওয়ার বদলে পপকর্ন খেতে ব্যস্ত রানু মণ্ডল…

0
2034

কথায় বলে ‘মানুষ তার যোগ্যতার থেকে বেশি কিছু পেলে ধরা কে স্বরা জ্ঞ্যান করে’। ঠিক সেরমই একটা নাম রানু মণ্ডল। একসময় তাকে কেউ চিনত না, তার কোনো ঘড়বাড়ি ছিল না, পরে থাকত রানাঘাট নামের এক স্টেশনে। সেইখানে গান গেয়ে ভিক্ষা করে বেড়াত রানু মণ্ডল। একদিন লতাজির বিখ্যাত ‘এক নাগমা প্যায়ার’ গানটা গাইছিল রানু।

সেই গান ফোনে রেকর্ড করেন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার অতীন্দ্র চক্রবর্তী। আর সেই ভিডিও নিজের ফেসবুকে আপলোড তিনি। কিছুদিনের মধ্যেই সেই ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। বিস্তর চর্চা হয় তার গান নিয়ে। তার গানের গলা সোস্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের মন জয় করে নেয়।

প্রশংসা কুরায় তার গান। দুদিনের মধ্যে রানাঘাটের ভবঘুরে ভিখারি সেলিব্রেটি হয়ে যায়। ভিখারি রানু মণ্ডল হয়ে যায় সকলের রানু দি। এরপর অতীন্দ্রর হাত ধরে রানু দি পাড়ি দেয় বলিউডে। সেখানে হিমেশের সাথে গান রেকর্ডও করে। হিমেশ তাকে বলিউডে প্লেব্যাক করার সুযোগ করে দেন।

এসবের মাঝে একাধিক বার বিতর্কে জড়ায় রানু মণ্ডল। এত সাফল্ল্যের পর তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি অতীন্দ্রকে ভগবানের চাকর বলে সম্বোধন করেন। তিনি বলেন তিনি জানতেন তিনি আসলে কি, অতীন্দ্র ভগবানের চাকর হয়ে তাকে শুধু পৌঁছে দিয়েছেন।

এছাড়াও অনেক সময় ভক্তদের দিকে তেড়ে গেছেন। এসব করার জন্য তাকে নেটিজেনদের আক্রমনের মুখে পরতে হয়েছে। কেউ কেউ বলেছে হটাৎ যোগ্যতার থেকে বেশি কিছু পেয়ে যাওয়ায় এরুপ আচরণ করছে রানু মণ্ডল।

এতকিহুর পর আবারও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রানু মণ্ডল। সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে রানুকে বিরুপ আচরন করতে দেখা গেছে। এক সংবাদমাধ্যমের তরফে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় ‘তার এই দ্রুত সাফল্ল্যকে সে কিভাবে দেখে, এটা কি স্বপ্ন?’

কিন্তু সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া তো দুরের কথা, তাকে দেখা যায় কখনও পপকর্ন চেবাতে, আবার কখনও এদিক ওদিক ঘুরে তাকাতে। আবার প্রশ্ন করলেও রানু মণ্ডল একই রকম আচরণ করে। ফলে আবার সোস্যাল মিডিয়ায় ট্রোল হলেন রানু। এর আগেও রানু মণ্ডল এরকম আচরন করে ভক্তদের বিরক্ত করে দিয়েছিলেন যেটা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল।