প্রবল অর্থ ও অন্নকষ্ট থেকে মুক্তির দৈব প্রতিকার…

0
3263

প্রতেকটা মানুষ চায় সে যেন দুবেলা ভালো করে খেয়ে পরে বাচতে পারে। আর যাই হোক না কেন অন্নকষ্ট যেন না হয়, সংসারে যেন সুখ সমৃদ্ধি বজায় থাকে, আর্থিক অভাব যেন ছুতে না পারে। এর জন্য আপনাকে যেমন রোজগার করতে হবে তেমনই কতগুলো নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন, কোন দিন কি করা উচিত, বাস্তু মতে কি করা উচিত, ইত্যাদি।

বাস্তু মতে সূর্যাস্তের পর ঘর ঝাট দেওয়া উচিত না, এতে মা লক্ষ্মী ঘর থেকে বিদায় নেন। ফলে অর্থনৈতিক অভাব দেখা দেয়। বাস্তু মতে মহিলাদের সকালে স্নান করে পুজো দেওয়া উচিত, এতে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়।

শাস্ত্র মতে সকালে স্নান করে পুজো দিয়ে রান্নাঘরে প্রবেশ করা উচিত, এতে সুখ সমৃদ্ধি বজায় থাকে ও আর্থিক অভাব কাটে। তেমনই বুধবার গনপতিদেবের আরাধনা করলে অর্থকষ্ট ও অন্নকষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। হিন্দু শাস্ত্র মতে যদি প্রতিদিন গনেশের স্তোত্র পাঠ করা যায় তাহলে আর্থিক কষ্ট দূর হয়।

বেলপাতা দিয়ে প্রতি বুধবার গণেশের পুজো করলে সংসারে সুখ সম্বৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। প্রাচীন গ্রন্থে বলা হয়েছে আর্থিক সমস্যা চলাকালীন কুবের মন্ত্র পাঠ করলে অর্থনৈতিক উন্নতি হয়। ব্রোঞ্জের পাত ও বার্ক গাছের ছাল দিয়ে লক্ষী পুজো করলে আর্থিক কষ্ট দূর হয়।

কালীপুজোর দিন একটা ঝিনুক নিয়ে তাতে জাফরান আর হলুদ দিয়ে রঙ করে হলুদ কাপড় পেঁচিয়ে লক্ষ্মী দেবীর কাছে রাখলে আর্থিক সমস্যা দূর হয়। লক্ষ্মীদেবির সামনে লক্ষ্মী ধনম দেহি মন্ত্র জপ করলে আর্থিক কষ্ট আপনাকে ছুতে পারবে না।

যেদিন অস্লেশা নক্ষত্র থাকবে সেদিন অসত্থ গাছ থেকে পাতা ছিড়ে আনুন। বোটা সমেত পাতাটিকে বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে বা বাড়ির পবিত্র জায়গায় রেখে দিন, এর ফলে আপনাকে কোনোরকম আর্থিক দুঃখ কষ্ট ছুতে পারবে না।