সংসারের সার্বিক উন্নতি চান, এই মাসের প্রতিটি বৃহস্পতিবার মেনে চলুন এই নিয়মগুলি…

0
2704

সংসারের উন্নতি কে না চায়, সকলেই চায় তার সংসার যেন সুখে শান্তিতে থাকে। কোনো বাধা বিপত্তি যেন না দেখা দেয় সংসারে। সংসারের সুখের জন্য অনেকে অনেক নিয়ম মেনে চলেন। বাস্তুশাস্ত্র মেনে চলেন, জ্যোতিষ পরামর্শ নিয়ে পালন করেন অনেক ব্রত অনেক নিয়ম। বিশেষ দিনে বিশেষ ব্রত পালন করে থাকেন সংসারের উন্নতির জন্য।

কেউ সোমবার শিবের ব্রত পালন করেন আবার কেউ মঙ্গলবার হনুমানজীর ব্রত পালন করেন যাতে সংসারে কোনো বাধা বিপত্তি না আসে। আর সবই জ্যোতিষশাস্ত্র মতে মেনে চলেন। জ্যোতিষ মতে বৃহস্পতিবারকে গুরুবার বা লক্ষীবার হিসাবে মেনে চলা হয়।

গুরু গ্রহ বৃহস্পতির নাম অনুসারে বৃহস্পতিবার নাম রাখা হয়েছে। জ্যোতিষ মতে এই বৃহস্পতিবার কিছু নিয়ম মেনে চললে আর্থিক উন্নতি হয়, অর্থভাগ্য খুলে যেতে পারে। অর্থভাগ্য উন্নতি করতে বৃহস্পতিবার কোনো বাস্তুভিটে বা বাড়িতে এই নিয়ম পালন করলে আর্থিক দিক থেকে সংসারের উন্নতি হয়।

বাস্তুশাস্ত্র মতে বৃহস্পতিবারকে লক্ষীদেবীর বার হিসাবে ধরা হয়। লক্ষীদেবী যেহেতু ধনসম্পদের দেবী তাই এই বৃহস্পতিবারে লক্ষীদেবীর আরাধনা করার নিদান দেওয়া আছে শাস্ত্রে। আর্থিকভাবে উন্নতির জন্য, ধনসম্পদ বৃদ্ধির জন্য লক্ষীদেবীর আরাধনা করা হয়ে থাকে।

বৃহস্পতিবারে যদি কিছু নিয়ম মেনে লক্ষীদেবীর আরাধনা করা হয় তাহলে বাড়িতে লক্ষ্মীশ্রী বজায় থাকে, সংসার সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কি সেই নিয়মগুলো, কীভাবে মা লক্ষীর আরাধনা করবেন।

বাড়িতে লক্ষীদেবীর মূর্তি থাকলে বা ছবি থাকলে তা পুজো করতে পারেন। পুজোর স্থান অবশ্যই পরিষ্কার করে নিন। যাদের বাড়িতে মূর্তি নেই তারা ঘট স্থাপন করেও পুজো করতে পারেন। মুলত ঘটেই লক্ষীপুজো হয়ে থাকে।

পিতল বা মাটির ঘটে গঙ্গাজল ভরে সিদুর দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন একে নিন। ঘটের উপরে আমপল্লব নিয়ে একটা হরতকি রেখে প্রতিটি আমপল্লবে সিদুরের ফোটা দিয়ে দিন। ধুপধুনো জ্বালিয়ে সারা বাড়িতে দেখান, এতে বাস্তু থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর হয়।

পুজোর ফল বা মিষ্টি দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে নিন। পুজোর সময় বাড়ির বিবাহিত মহিলারা অবশ্যই আলতা সিদুর পড়ুন। লক্ষী পাঁচালি পড়ে লক্ষীদেবীকে আরাধনা করুন। শাস্ত্রমতে এই নিয়ম মেনে লক্ষীদেবীর আরাধনা করলে আর্থিক অভাব দূর হয়ে যাবে, সংসারের সার্বিক উন্নতি হবে।