মঞ্জিরার গানে ফিরে এল বসন্ত…

0
310

ছেলেবেলা থেকেই বাড়িতে ছিল গানের আবহাওয়া। ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়, আলি আকবর খান অনেকেই আসতেন বাড়ীতে। সেই আবহাওয়া প্রবেশ করেছিল মেয়েটির মনেও। তাই ছেলেবেলাতে নাচ না শিখে মেয়েটি শিখতে চেয়েছিল গান। মেয়েটির বাবা জানিয়েছিলেন গান শিখলে শুরু করতে হবে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত থেকে। এভাবেই শুরু হয় মঞ্জীরা গাঙ্গুলির গানের যাত্রা।

ক্লাস ৫ থেকে গান শেখা শুরু করলেও কখনো যে গানকেই নিজের প্রফেশন করবেন, ছেলেবেলাতেই তেমন ভেবে ফেলেননি মঞ্জীরা। সেটা ভাবতে সময় লেগেছে আরও কিছুদিন। বাবা সুব্রত গাঙ্গুলী ব্যাঙ্কে চাকরি করলেও সেখানেই ছিল তাঁর নিজস্ব গানের স্কোয়াড। বর্তমানে প্রায় ২০ বছর ধরে গান লেখালিখি এবং সুর করার সঙ্গে যুক্ত আছেন সুব্রত বাবু। ইন্দ্রনীল সেন, শম্পা কুণ্ডু, সৈকত মিত্র, প্রতীক চৌধুরী, অন্তরা চৌধুরী এবং আরও অনেক নামী শিল্পীই গান করেছেন তাঁর লেখা কথা ও সুরে। ছেলেবেলায় মঞ্জীরার মনে হত কেন তিনিও বাবার লেখা গান গাইতে পারবেন না। পড়াশুনোয় ভালো হওয়ার কারণে বাবা মা চাইতেন না পুরোপুরি গানের জগতে ব্যস্ত থাকবেন মঞ্জীরা। কিন্তু নিজের জেদেই বাবা মা কে মানিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

ছেলেবেলায় দেখা স্বপ্নপুরণ হয় যখন Sony LIV তাঁর বাবার লেখা ও সুর করা গান ভ্রমরার গুন গুন শুনে এক কথায় রাজি হয়ে যায় সেটা নিয়ে কাজ করতে। আরও অনেক গান করার কথা ভাবলে বাবার লেখা এই গানটিকেই বেছে নেন মঞ্জীরা। কেদার ভগত ও বিজয় ডালওয়ানি Sony LIV এর হয়ে ভিডিওটির পরিচালনা করেন। বাংলা তারা বুঝতে না পারলেও মঞ্জীরার সাহায্যে তারা সম্পূর্ণভাবেই বাংলার আবেগকে ধরে রেখেছেন এই রোমান্টিক গানে। ‘কৃষ্ণচূড়া রঙ রাঙ্গালো যে আকাশ / পলাশের কুঁড়ি ওই ছুঁয়ে যায় বাতাস / মনের ভাবনাগুলো এলোমেলো হয়ে যায় কেন? / আবার নতুন করে সবকিছু ভালো লাগে যেন।’

যেকোন প্রেমিক মনকেই অনায়াসে ছুঁয়ে যায় এই শব্দবন্ধ। ভিডিওতেও সেই প্রেমেরই প্রকাশ। মঞ্জীরা বর্তমানে ব্যস্ত তাঁর অন্যান্য নতুন কাজ নিয়ে। আরও অনেক গান এভাবেই আমাদের মুগ্ধ করে তুলবে ভবিষ্যতেও।’………. Article সৌজন্যে Bengal Web Solution- (9903360341)