সঞ্চয় বৃদ্ধি করতে চান, বাস্তু মতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি…

0
5468

আমরা সবাই চাই একটু ভালো থাকতে। পরিবারের জন্য ও নিজের জন্য ভালো রোজকার করতে। সবাই চাই ভবিষ্যতের জন্য একটু সঞ্চয় করতে। যাতে পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকে, যাতে আর্থিক ভাবে শক্ত সামর্থ্য থাকতে পারি সেই জন্য অনেক নিয়ম কানুন আমরা মেনে চলি। বিশেষ করে আমরা অনেকেই বাস্তু শাস্ত্র মেনে চলি।

বাস্তু মতে কিছু নিয়ম মানলে সুখ শান্তি বজায় থাকে, সঞ্চয় বৃদ্ধি হয়। বাস্তুমতে সুখ শান্তি বজায় রাখার জন্য ঘরে লাফিং বুদ্ধ বসাতে পারেন। বাড়ির সদর দরজায় পঞ্চমুখী হনুমানজীর মূর্তি বসাতে পারেন, তাতে আর্থিক ভাবে উন্নতি হওয়া যায় ও সঞ্চয় বৃদ্ধি হয়।

বাস্তুমতে বুধবার কে গনপতিদেবের বার বলা হয়, সেই দিন গণপতিদেবের পুজো করলে আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়া যায় ও সঞ্চয় বৃদ্ধি হয়। বাস্তুমতে সন্ধ্যার পর ঘর পরিষ্কার করা উচিত নয়, এতে ঘর থেকে পজিটিভ এনার্জি দূর হয়ে যায়।

যদি দেখেন বাড়িতে বাস্তুদোষ আছে তাহলে বাড়িতে অবশ্যই তুলসী গাছ রোপন করুন। চাকরী পাওয়ার ক্ষেত্রে বা ধন সম্পত্তি বাড়ানোর হলে অবশ্যই তুলসী গাছের পুজো করুন। এছাড়াও প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীদেবীর পাচালি পরে তার আরাধনা করুন।

বাড়ির পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন। বাড়িতে যাতে কোনোরকম ধুলো না জমে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে, এতে নেগেটিভ এনার্জি নির্গত হয়। বাড়ি পরিষ্কার থাকলে সেখানে অশুভ শক্তি থাকতে পারে না। এতে ঘরের শান্তি বজায় থাকে।

বাড়ি থেকে বাস্তুদোষ কাটাতে জলের সাথে নুন আর ফটকিরি মিশিয়ে বাড়ি পরিষ্কার করুন। ঘর মোছার সময় জলের সাথে নুন আর ফটকিরি মিশিয়ে নিন, এতে ঘর জীবাণুমুক্ত থাকবে আর ঘরে সুখ শান্তি বজায় থাকে। বাস্তুদোশ দূর করার জন্য নিমের ধোয়া খুব উপকারী।

ধুনো জ্বালানোর সময় তাতে নিমের পাতা ফেলে দিন। নিমপাতা পুড়ে ধোয়া বেরোলে বাস্তুদোশ কেটে যায়। এছাড়াও জল আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপুর্ন। জলের সংকট খুবই চিন্তার। জলের অপচয় বাস্তু মতে অশুভ লক্ষনের ইঙ্গিত দেয়।

ছেলেরা সাধারণত পিছনের পকেটে টাকা রাখে, কিন্তু বাস্তুমতে তা অশুভ। তাই চেষ্টা করুন সামনের পকেটে টাকা রাখতে। বাড়িতে আলমারির অবস্থান টাকার ভাগ্য ফেরায়। দক্ষিন দিকে পিছন করে টাকা রাখলে অর্থ ভাগ্য ফিরে যায়। শোবার ঘরের বাদিকের দেওয়ালে ধাতুর জিনিস রাখুন তাতে অর্থ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।