১৩ লাখ টন নোংরা আবর্জনা থেকে ৩০০ কোটি টাকা পেয়ে কি করলো এই IAS অফিসার

0
5065

আপনি আপনার ঘরবাড়িকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে চান। সে কে না চায়?  সকলেই চায় নিজের বাড়ি পরিষ্কার রাখতে। বাড়ির সব নোংরা আমরা ফেলে আসি বারির বাইরে। বাইরের নোংরা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। প্রধানমন্ত্রী তাই স্বচ্ছ ভারত অভিজান শুরু করেছেন। যদিও সেই অভিজান শুরু হওয়ার পড়ে তা আর এখন সফল হয়না। এই শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে স্কুল কলেজাও।

তারা সেখাচ্ছেন কিকরে পরিষ্কার রাখতে হয় বাড়ি ঘর ও সব জায়গায় পরিষ্কার করা যায়। কিন্তু পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে অনেক এগিয়ে আছে ইন্দোর। সেখানে কোন নোংরা থাকেনা। কোন আবর্জনআ থাকেনা। এখাঙ্কার মানুসেরা খুব পরিষ্কার। কোথাও তারা নোংরা জমতে দেয়না।

তাদের কাছে তাদের দেশ সব কিছু। তারা নিজেদ্র দেশ পরিষ্কার রাখা নিজেদের কর্তব্য বলে মনে করে। একটি জায়গায় অনেক নোংরা জমা করা ছিল ইন্দরের সব বাড়ির নোংরা জপমা হয়ে হয়েছিল ১৩ লাখ টনে। তারা কেউ ভাবতেই পারেনি তাদের ভবারি থেকে অত নোংরা জমা হতে পারে।

সেই স্থানের নোংরা যেমন কোন কাজে লাগার নয় তেমনই সেই জমিও আর কাজে লাগারা নয়। সেখানের মিউনিসিপালিটির কমশনার খুব চিন্তা ভাবনা করেন যে সেই জমি কি কাজে লাগান যায়। তিনি চিন্তা করে খুজে বার করেন যে সেই স্থান তিনি পরিষ্কার করবেন। এই কাজ করতে সময় লাগে প্রায় ছয় মাস।

তারা প্রথমে ভেজা নোংরা ও শুকনো নোংরা আলাদা করেন। এই কাজ সমস্ত হয় মেশিনে। আর তার পর সেখানে যত ধাতব পদার্থ ছিল তা আলাদা করেন। আর আলাদা করা হয় প্লাস্টিক। প্লাস্টিক তারা জ্বালআনিতে রুপান্ত্রিত করেন।

বাকি রবার জাতিয় জিনিস রাখা হয় আলাদা করে। তারা নিরমানের কাজে লাগায় রবার। এখন হয়তো আপনি ভাবছেন যে ৩০০কোটি  টাকা সেখানে কথায় ছিল? তাহলে বলি যে জায়গায় নোংরা জমা ছিল সে জায়গা ছিল অনেক দামি।

আপনাকে বল এই জমির দাম ছিল অনেক। একশো একরের এই জমির দাম ৩০০ কোটি টাকা। এই জমিটি এখন ফরেস্ট করা হচ্ছে। তার থেকেও কিছু টাকা রোজকার করা হয়েছে। এখানেও যদি আমরা সেরকম নোংরা জমি পরিষ্কার করি সেখানে দাম হবে অনেক। এই ধরনের কাজ করলে অনেক জমি পাওয়া যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here